মুফতি আবু যর আযযাম হাফিজাহুল্লাহর জামাআতুল বাগদাদি (আইএস) ত্যাগের বিবৃতি।

মুফতি আবু যর আযযাম হাফিজাহুল্লাহর

জামাআতুল বাগদাদি (আইএস) ত্যাগের বিবৃতি।

শায়েখ মুফতি আবু যর আযযাম হাফিজাহুল্লাহ। জামেয়া ফারুকিয়া করাচীতে লেখাপড়া করেছেন। ইফতা শেষ করেছিলেন, কিন্তু পরীক্ষা দেওয়ার পূর্বেই পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে হিজরত করেন ও ২০০৪ সালে মুজাহিদদের সাথে যোগদান করেন তিনি সেখানে জিহাদ ও দাওয়াতের কাজে লিপ্ত থাকেন। এবং উজবেকিস্তানের জিহাদি জামাআত “হারাকাতুল ইসলামিয়্যাহ”র একজন প্রখ্যাত মুফতি হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেন।  জিহাদের মিশন নিয়ে যিনি বিশ্বের নানা ভূমি চষে বেড়িয়েছেন। শায়েখ একই সাথে “মুফতি আবু যর বর্মী” নামেও পরিচিত। উপমহাদেশ ও খোরাসানীয় অঞ্চলে শায়েখের জিহাদি পদচারনা কেমন ছিল, তা আমরা দেখতে পাই যে, শায়েখের বিভিন্ন অডিও, ভিডিও বয়ান কখনো উজবেকিস্তানের মুজাহিদদের জুন্দুল্লাহ স্টুডিও থেকে রিলিজ হয়েছে, কখনো তেহরিকে তালেবান পাকিস্তানের উমার মিডিয়া থেকে রিলিজ হয়েছে, কখনো হিজবে ইসলামী তুরকিস্তানের ভয়েস অফ ইসলাম থেকে রিলিজ হয়েছে ও কখনো বার্মায় অবস্তানরত মুজাহিদদের মিডিয়া থেকে রিলিজ হয়েছে। সেই হিসেবে এটা নিশ্চিত যে, পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ, বার্মা, তুর্কিস্তান ও উজবেকিস্তানের মুজাহিদগণ শায়েখের সোহবত ও মেহমানদারিতে ধন্য হয়েছেন। বিভিন্ন ভূমিতে জিহাদ জারি করার ক্ষেত্রে শায়েখের অবদান রয়েছে।  

(وَإِذْ أَخَذَ اللَّهُ مِيثَاقَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ لَتُبَيِّنُنَّهُ لِلنَّاسِ وَلَا تَكْتُمُونَهُ)

আর আল্লাহ যখন আহলে কিতাবদের কাছ থেকে প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করলেন যে, তা মানুষের নিকট বর্ণনা করবে এবং গোপন করবে না। সুরা আল ইমরান-১৮৭

হে আমার মুহাজির ও মুজাহিদ ভাইয়েরা!

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ …

আমি আবু যর বলছি- আজ ১৪৩৭ হিজরির যুলকাদাহর ১৬ তারিখ। আল্লাহ তায়ালার কাছে আমি দুয়া করছি, তিনি যেন আমাকে হকের উপর অবিচল রাখেন। এবং আমি আপনাদের কিছু উপদেশ দিতে চাই।

এটা সবাই জানে যে শামে জিহাদ শুরু হওয়ার পর উম্মাহ অনেক ফিতনা ও সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। তার মধ্যে সবচে’ বড় সমস্যাটা হল খিলাফতের ঘোষণা। দাওলা যখন খিলাফতের ঘোষণা দিলো, এই ঘোষণার পর অনেক মানুষ প্রভাবান্বিত হয়ে গিয়েছিলো। তাঁদের মধ্যে আমিও অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। আমি দুই বছর পূর্বে তাদেরকে সমর্থন দিয়েছিলাম। যেহেতু আমি তাদের বাস্তবতা সম্পর্কে জ্ঞাত ছিলামনা। এখন আমি তাদের বাস্তবতা সম্পর্কে ও শামের ময়দানে তাদের বিদআত সম্পর্কে আমি অবগত। এই দীর্ঘ সময়ে আমি তাদের আরও অনেক মন্দ কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত হয়েছি। যেমন কোন প্রকার দলীল ব্যতিত মুসলমানদের হত্যা করা। তাদের জামাআতের অন্তর্ভুক্ত নয় এমন জিহাদি জামাআতগুলোর বিরুদ্ধে তাদের ফাতাওয়া প্রকাশ করা। খোরাসানেও তালেবান মুজাহিদদের বিরুদ্ধে তাদের ফাতাওয়া প্রকাশ, অথচ তাঁরা গত ৪০ বছর ধরে রুশ, আমেরিকা ও তাদের চেলাচামুণ্ডাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে আসছেন। তাদের এই সকল কর্মকাণ্ড আমাকে অত্যান্ত ব্যথিত করেছে।

আমি নিজেকে জিজ্ঞেস করলাম, তাদের কাছে কুরআনের কোন মান্যতা রয়েছে?

তাঁরা কোন শরীয়তকে অনুসরণ করে?

এই বিষয়গুলো বুঝার পর এবং মিডিয়া থেকে আমার দূরে থাকার কারণে আমি নিজের উপর অত্যান্ত রাগান্বিত হলাম, যেহেতু আমি তাদের সমর্থন দিয়েছিলাম ও আমি হককে উম্মাহর কাছে কাছে পৌছাতে পারতাম।  

আমার প্রথম ভুল হল আমি তাদের সমর্থন দিয়েছিলাম। আর দ্বিতীয় ভুল হল আমি উম্মাহকে হক বুঝার পরও পৌছাতে বিলম্ব করেছি। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা পরম দয়ালু ও ক্ষমাশীল। আল্লাহ তায়ালা আমার সকল অপরাধ ক্ষমা করে দিবেন ইনশা আল্লাহ। আল্লাহ তায়ালার কাছে আমি দুয়া করি যেন, আল্লাহ তায়ালা আমাকে ও আপনাদেরকে ক্ষমা করে দেন।    .

মধ্য এশিয়ায় অবস্থানরত আমার মুজাহিদ ভাইদের প্রতি আমার বিশেষ আহবান-

হে আমার ভাইয়েরা!

আপনারা ঘর থেকে বের হয়েছেন, যাতে জুলুমকে পৃথিবী থেকে দূর করতে পারেন, আপনারা হিজরত করেছেন জিহাদের জন্য। এবং অনেক বিপদাপদ ও দুঃখকষ্টের সম্মুখীন হয়েছেন। আর এখন আপনারা এই সকল মতবিরোধের মাঝে প্রবেশ করবেন না! আলহামদু লিল্লাহ এখানে অনেক হক ও সহিহ মানহাজের উপর প্রতিষ্ঠিত জামাআত বিদ্যমান রয়েছে। সুতরাং তাঁদেরকে বাইয়াহ দিন! তাঁদের দলে প্রবেশ করুন! ও তাঁদের সাথে মিলে জিহাদ করুন! আপনাদের জন্য আবশ্যক হল আপনারা বার্মা, পশ্চিম তুর্কিস্তান ও পূর্ব তুর্কিস্তানের ওই সকল মজলুমদের ভুলে যাবেন না, যাদেরকে তাঁদের ঘরবাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। আমি সকল মুজাহিদদের উপদেশ দিচ্ছি যে আপনারা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমার কথাগুলো গ্রহণ করে নিন।

আল্লাহ তায়ালা আপনাদের পুরস্কৃত করবেন।

আপনারা আমার পূর্ববর্তী কথাকে দলীল বানাবেন না!

আপনারা আমাকে আপনাদের দাওলাতে বাইয়াহ দেওয়ার দলীল বানাবেন না!

আপনারা আমাকে “এই খিলাফাহ সঠিক খিলাফাহ” এই কথার দলীল বানাবেন না! 

 

আমি আমার পূর্ববর্তী চিন্তাধারা থেকে প্রত্যাবর্তন করছি।

এটা সম্ভব যে আমি আমার কথার পুনরাবৃত্তি করবো এবং বারবার বলবো, কিন্তু আমি এখন আপনাদের থেকে দীর্ঘ সময় নিবোনা। ইনশা আল্লাহ অচিরেই আমি এই ব্যাপারে আমার একটি বিস্তারিত বিবৃতি পেশ করার চেষ্টা করবো। .

আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে তাদের এই বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত হয়ে আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি ও ক্ষমার প্রত্যাশা করে আল্লাহ তায়ালার উপর তাওয়াককুল করে আপনাদের সামনে আমাদের বর্তমান অবস্থান তুলে ধরাকে আমাদের সবচে’ গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য ও দায়িত্ব বলে মনে করছি। 

তাই আমি মধ্য এশিয়ার (পূর্ব ও পশ্চিম তুর্কিস্তান) আমার মুজাহিদ ভাইদের প্রতি এই কথাগুলো সুস্পষ্টভাবে পেশ করছি। আপনারা আমার মাগফিরাতের দুয়া করুন। আপনাদের দুয়ায় আমাকে ভুলবেন না! আমি দুয়া করি, আল্লাহ তায়ালা যেন আপনাদেরকে অটল ও অবিচল রাখেন! আমিন

pdf

http://up.top4top.net/downloadf-241vy2c2-pdf.html
https://www.pdf-archive.com/2016/08/29/mufti-abu-jor-ajjam-ha/
http://document.li/c7T1

 

exrj4w

https://justpaste.it/xubn

https://jpst.it/MOEP

 

প্রকাশনা ও পরিবেশনা

প্রকাশকাল
৩০ আগস্ট ২০১৬ ইংরেজি

আপনাদের নেক দুয়ায় আমাদের ভুলবেননা!

Advertisements

মুসলিম উম্মাহর সম্মানিত দীনি আলেমদের প্রতি ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তানের অনুরোধ

 

vkoob9

মুসলিম উম্মাহর সম্মানিত দীনি আলেমদের প্রতি ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তানের অনুরোধ

আগস্ট ২১, ২০১৬

কাবুলের তথাকথিত শান্তি পরিষদ ঘোষণা দিয়েছে যে তাদের পক্ষ থেকে চেষ্টা চলছে ইসলামী দেশগুলোর দীনি আলেমদের নিয়ে একটি সম্মেলন করা হবে। তারা বলছে এই সম্মেলন আফগানিস্তানে শান্তি ও স্থিতি প্রতিষ্ঠা করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে এবং সশস্ত্র বিরোধীদের লড়াই থেকে বিরত থাকতে প্ররোচিত করবে।

বাস্তবে এই প্রতারণাপূর্ণ প্রচেষ্টা ২০১০-২০১১ সালে থাকা আফগানিস্তানে আমেরিকা ও ন্যাটো বাহিনীর চিফ কমান্ডার জেনারেল প্যাত্রেয়াসের সাজানো পরিকল্পনা। সে বিশ্বাস করতো যে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী থেকে যদি এই প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয় ও সশস্ত্র যোদ্ধাদের যদি এই বুঝানো যায় যে বর্তমান যুদ্ধ আসলে জিহাদ নয় বরং ক্ষমতার লড়াই, তাহলে বর্তমান প্রতিরোধ শেষ হয়ে যাবে। এই লক্ষ্যে সে আমেরিকান ঘাটিগুলোতে রেডিও স্টেশন স্থাপন করে এবং গ্রামবাসীকে বিনা মূল্যে রেডিও বিতরন করে। তারপর সবসময় এই রেডিও স্টেশনগুলো থেকে জিহাদ ও মুজাহিদিনদের অপবাদস্বরূপ প্রোপাগান্ডা ছড়াতে থাকে এবং এ সংক্রান্ত দীনি মাসায়েলও জারি করতে থাকে। যাহোক, আলহামদুলিল্লাহ্‌, তার এই চেষ্টা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়ে যায়।

এখন দখলদার দেশগুলো ও তাদের অভ্যন্তরীণ দোসরেরা যখন বেশ অনেকখানি জায়গার নিয়ন্ত্রণ হাড়িয়ে ফেলেছে এবং রণাঙ্গনেও  মনোবল হারিয়ে ফেলেছে, তারা দীনি আলেমদের নিয়ে তাদের সাম্রাজ্যবাদী কুট উদ্দেশ্যের জন্য ব্যবহার করতে চাচ্ছে,  যেখানে আলেমরা সর্বদা সত্যের জন্য অনবরত আওয়াজ দিয়ে যাচ্ছেন ও এর জন্য তাদের জান কোরবান করে যাচ্ছেন। কিন্তু দখলদারেরা ও তাদের দোসরেরা ভুলে গেছে যে আফগানিস্তান একটি দখলকৃত দেশ। এর মাটি ও বাতাস, সামরিক ও রাজনৈতিক সবকিছুই দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে। তাই ১৫০০ আলেম এই বর্তমান দখলের বিরুদ্ধে জিহাদের পক্ষে ফরমান জারি করেছেন।

মুসলিম উম্মাহর সম্মানিত দীনি আলেমগণ অবশ্যই আফগানিস্তানের বর্তমান অবস্থার ব্যাপারে অবগত। নয়তো তাদের বুঝতে হবে বরতমানে দেশটির অবস্থা এমন যে হানাদার বাহিনী অন্ধের মত আফগান মুসলিম জনগনের উপর বোমা হামলা করে চলছে ও রাতে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে, শত শত নারী, পুরুষ ও শিশু তাদের জীবন দিচ্ছে কিন্তু কেউ তাদের জিজ্ঞেস করতে পারবে না (কেন?)। তারা দেশের জেলখানাগুলো সাধারণ মানুষ দিয়ে ভড়ে রেখেছে, যাতে এই মুহূর্তে প্রায় ৩৫০০০ হাজতি হয়েছে। এর মধ্যে  ১২০০০ জনকে তালেবানের নামে অথবা তাদের সাথে যোগাযোগ আছে বলে অথবা তাদের কোন আত্মীয়তা আছে এই কারনে বন্দি করেছে। এর মধ্যে ৯০ বছরের বৃদ্ধও আছে। তারা তাদের পরিণতির ব্যাপারে অনিশ্চিত অবস্থায় কারাগারে বছরের পর বছর যন্ত্রণায় কাটাতে থাকে। কারন তারা বিচারকদের হাতে তেল দিতে পারছেনা বলে। তার উপর তারা এই প্রয়াসও নিয়েছে যাতে আমাদের মাতৃভূমি থেকে ইসলামী সংস্কৃতি মুছে যায়। অন্যদিকে অনৈতিক ভ্রষ্টাচারের জন্য পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে। প্রশাসনের মন্ত্রি ও গভর্নরেরা বিদেশী জাতীয়তা নিয়ে আছে এবং দখলদারদের সুপারিশে মনোনীত হয়। এটা আফগানিস্তানের আসল (বর্তমান) চিত্র।

আফগানরা তাদের দেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য ও তাদের ইসলামী ঈমান রক্ষার্থে জেগে উঠেছে, এই পথে কুরবানির সাথে। তাই আমরা মুসলিম উম্মাহর আলেমদের সম্মানের সাথে অনুরোধ করছি যে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি জটিল। এইখানে দখলদার বাহিনীর গোয়েন্দারা প্রতিনিয়ত গোয়েন্দা প্রকল্পনা করে চলছে। আমরা আশা করি সম্মানিত আলেমগণ আফগানিস্তানের বাস্তবতা বুঝবে যাতে তারা অনিচ্ছাকৃত  ভাবে আমেরিকা ও তাদের অভ্যন্তরীণ দোসরদের ষড়যন্ত্রের শিকার না হয় অথবা এই পবিত্র সতর্কবাণীর জন্য প্রাপ্য না হয়।

“আর পাপিষ্ঠদের প্রতি ঝুকবেনা, নতুবা তোমাদেরকেও আগুনে ধরবে। আর আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন বন্ধু নাই, না তোমরা কোথাও সাহায্য পাবে।“

এটা বলা দরকার যে ইসলামী ইমারাহ শান্তিপূর্ণ ব্যবস্থার মাধ্যমে এই দখলদারিত্ব শেষ করার ও স্বাধীনতা অর্জনের রাস্তা খোলা রেখেছে কিন্তু দখলদার দেশগুলো (এবং তাদের দোসররাই) দুনিয়ার ও দেশের জনগণকে ছলনাময় পরিকল্পনা উদ্ভাবনের মাধ্যমে তাদের দৃষ্টি সরিয়ে রাখতে চাচ্ছে।

 

পিডিএফ

http://up.top4top.net/downloadf-2412l8e1-pdf.html
https://www.pdf-archive.com/2016/08/29/islami-imarah/
http://document.li/0v9T

 

exrj4w

https://justpaste.it/xuby

https://jpst.it/MOHb

 

প্রকাশনা ও পরিবেশনা

প্রকাশকাল
২৩ আগস্ট ২০১৬ ইংরেজি

আপনাদের নেক দুয়ায় আমাদের ভুলবেননা!

‘শামের অধিবাসীদের অবস্থা যখন বিপন্ন হবে, তখন তোমাদের মধ্যে কোনো কল্যাণ থাকবে না।’- এর ব্যাখ্যা

বিসমিহী তাআলা

‘শামের অধিবাসীদের অবস্থা যখন বিপন্ন হবে,

তখন তোমাদের মধ্যে কোনো কল্যাণ থাকবে না।’- এর ব্যাখ্যা

 

মূল

শাইখ সামী আল উরাইদী হাফিজাহুল্লাহ

অনুবাদ

আব্দুল্লাহ হিন্দুস্তানি হাফিজাহুল্লাহ  

শামের ভুমিকে আল্লাহ তাআলা বিশ্ববাসীর জন্য বরকতময় করেছেন।

ইরশাদ হচ্ছে:

{سُبْحَانَ الَّذِي أَسْرَى بِعَبْدِهِ لَيْلًا مِنَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ إِلَى الْمَسْجِدِ الْأَقْصَى الَّذِي بَارَكْنَا حَوْلَهُ}

পবিত্র ঐ সত্তা যিনি রাত্রি বেলা নিজ বান্দাকে মসজিদে হারাম থেকে ঐ মসজিদে আকসা পর্যন্ত ভ্রমণ কিরিয়েছেন যার আশেপাশে আমি বরকত নাযিল করেছি।

আরো ইরশাদ হচ্ছে:

{وَنَجَّيْنَاهُ وَلُوطًا إِلَى الْأَرْضِ الَّتِي بَارَكْنَا فِيهَا لِلْعَالَمِينَ}

আমি তাকে (ইবরাহীমকে) এবং লুতকে উদ্ধার করে ঐ ভুমিতে নিয়ে গেলাম যেখানে আমি বিশ্ববাসীর জন্য বরকত নাযিল করেছি। (এখানে শামের ভুমিই উদ্দেশ্য।) উলামায়ে কেরাম বলেছেন, মক্কা ও মদীনার পর তৃতীয় নাম্বারে মর্যাদাপূর্ণ হল শামের ভুমি। শামের ফযীলত সম্পর্কে বেশ কয়েকটি সহীহ হাদীস বর্ণিত হয়েছে।

কয়েকটি হাদীস নিম্নরূপ:

১. ইবনে হাওয়ালা রাযি. বর্ণনা করেন, নবীজী সা. বলেছেন, তোমরা অচিরেই তিন বাহিনীতে বাহিনীবদ্ধ হবে। একটি বাহিনী হবে শামে, একটি ইয়ামানে আরেকটি ইরাকে। ইবনে হাওয়ালা রাযি. বললেন, হে আল্লাহর রাসূল সা. আমি যদি উক্ত সময় পেয়ে যাই, তাহলে আমি কোন বাহিনীর সাথী হবো আমাকে বাতলে দিন। নবীজী সা. বললেন, তুমি শামের বাহিনীর সাথে থাকবে, কেননা শামের ভুমি আল্লাহর কাছে আল্লহর যমীনের পছন্দনীয় ভুমি। তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্য থেকে উত্তম বান্দাদেরকে এ ভুমিতে টেনে আনেন। …. আল্লাহ তাআলা শাম এবং শামের অধিবাসীদের ব্যাপারে নিজে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।’ (সুনানে আবু দাউদ হাদীস নং-২৪৮৩)

২. যায়েদ বিন সাবেত রাযি. থেকে বর্ণিত তিনি বলেছেন, নবীজী সা. ইরশাদ করেছেন, ‘শামের অধিবাসীদের জন্য সুসংবাদ’ জিজ্ঞেস করা হল কেন হে আল্লাহর রাসূল? নবীজী সা. বললেন, ‘ কেননা রহমানের ফেরেশতাগণ শাম ভুমির উপর নিজেদের ডানা প্রসারিত করে রেখেছে।’ (সুনানে তিরমিযী হাদীস নং-৩৯৫৪)

৩. নবীজী সা. শামের জন্য বরকতের দুআ করেছেন। সহীহ হাদীসে এসেছে হযরত আব্দুল্লাহ বিন উমর রাযি. বর্ণনা করেছেন, নবীজী সা. একদা এভাবে দুআ করেছেন, ‘ হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মদীনা, শাম এবং ইয়ামানে আমাদের জন্য বারাকাহ দান করুন।’ (মু‘জামুল আওসাত তবরানী হাদীস নং-২৪৬)

অতীতের অনেক উলামায়ে কেরাম শামের ফযীলত সংক্রান্ত আয়াত-হাদীস সংকলন করে স্বতন্ত্র কিতাব রচনা করেছেন। মূলত আল্লাহ তাআলা শামের পবিত্র ভুমিকে পৃথিবীর অন্যান্য ভুমির উপর বিশেষ মর্যাদা দান করেছেন। আল্লাহ তাআলা শামের অধিবাসীদের উন্নতি-অবনতি, তাদের সুখ-শান্তি ও দু:খ-দুর্দশাকে গোটা মুসলিম উম্মাহর উন্নতি-অবনতি, সুখ-শান্তি ও দু:খ-দুর্দশার মাপকাঠি নির্ধারণ করেছেন। মুআবিয়া বিন র্কুরা রাযি. থেকে বর্ণিত সহীহ হাদীসে এসেছে, নবীজী সা. বলেছেন, ‘ শামের অধিবাসীদের অবস্থা যখন বিপন্ন হবে, তখন তোমাদের মধ্যে কোনো কল্যাণ থাকবে না…’ (সুনানে তিরমিযী হাদীস নং-২১৯২)

অতএব এই উম্মাহর উন্নতি-অবনতি শামের অধিবাসীদের উন্নতি-অবনতির সাথে ওঁতপ্রোতভাবে জড়িত। ইসলামের ইতিহাস সম্পর্কে যারা সামান্যতম জ্ঞানও রাখে তাদের কাছে এ বিষয়টি দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট।

হযরত হাসান বিন আলী রাযি. যখন মুআবিয়া রাযি. এর সাথে সন্ধি চুক্তি করত খেলাফতের দাবী ত্যাগ করলেন, তখন থেকে নিয়ে প্রায় একশত বছর শামের পবিত্র ভুমি ইসলামী সামরাজ্যের রাজধানী ছিল। ঐ সময় ইসলামের প্রচার-প্রসার এবং বিজয় এত পরিমাণ হয়ে যা অন্য কোনো সময়ে হয়নি। তখনই শিক্ষা-দীক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান এবং ব্যবসায়িক, অর্থনৈতিক ও সামরিক দিক দিয়ে ইসলাম বিশ্ব সভায় সর্বোচ্চ আসন দখল করে নিয়েছিল। শাম-ই মুসলিম উম্মাহর এসব বিজয় ও সফলতার কেন্দ্রভুমি ছিল।

বন্ধুগণ! নুসাইরী শিয়াগোষ্ঠি শামের হুকুমত ছিনিয়ে নিয়ে শামের পবিত্র ভুমিগুলো ইয়াহুদীদের কাছে হস্তান্তর করার পর, শাম পুনরায় তার গায়ে লেপটে থাকা বে-ইজ্জতী ও অপমানের ধুলা ঝেড়ে ফেলে তার গৌরবময় অতীতের দিকে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছে। শামের ভুমিতে হক ও বাতিলের মধ্যে এক চুড়ান্ত ফায়সালামূলক যুদ্ধের অবতারণা হয়েছে। এ যুদ্ধের অগ্রনায়ক ছিলেন শহীদ কমাণ্ডার শায়েখ মারওয়ান হাদীদ রহ.। তিনি যখন নুসাইরী হুকুমাতের কুফুরীর ব্যাপারে নিশ্চিত হলেন, তখন তিনি ফতওয়া দিলেন, নুসাইরী শিয়া কাফের গোষ্ঠী মুসলিমদের শাসক হতে পারবে না এবং শাসক হিসাবে বহালও থাকতে পারবে না। তিনি এই কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য শামের মুসলিম বিশেষ করে নিজের অনুসারীদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে লাগলেন। একপর্যায়ে তিনি জিহাদের ফরয দায়িত্ব আঞ্জাম দেয়ার জন্য একটি জিহাদী কাফেলা তৈরি করলেন। অবশেষে তাকে এই অপরাধে (?) জালেম নুসাইরী শিয়াদের হাতে শাহাদাত বরণ করতে হল।

এই নুসাইরী শিয়াগোষ্ঠি যাদের বিরুদ্ধে বর্তমানে এবং অতীতে মুসলিমগণ জিহাদ করেছে এবং করছে, তাদের হুকুম ও অবস্থা উলামায়ে কেরাম স্পষ্টরূপে বর্ণনা করেছেন। ইমাম গাযালী রহ. বলেছেন, ‘ এদের সাথে মুরতাদদের মত আচরণ করা হবে এবং ভুমিকে তাদের থেকে পবিত্র করা ওয়াজিব।’

ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেছেন, ‘ ঐসব গোষ্ঠী যারা নিজেদেরকে নুসাইরী নামে অবহিত করে এবং অন্যসব বাতেনী গ্রুপ ইহুদী নাসারাদের চেয়েও ভয়ংকরতম কুফুরীতে লিপ্ত। বরং তারা অনেক কাফের-মুশরিকের তুলনায় বড় কাফের। এরা ইসলাম এবং মুসলিমদের জন্য যুদ্ধরত কাফেরদের তুলনায়ও বেশি ক্ষতিকর। মুসলিমদের প্রত্যেক শত্রুর সাথেই এরা বন্ধুত্ব করে। খ্রিষ্টানরা মুসলিমদের কোনো এলাকা পদানত করলে ঐ দিনটা তাদের কাছে সব চেয়ে বড় খুশির দিন  হয়।’

আল্লাহর রহমতে শামের পবিত্র ভূমি আজ যে মুবারাক জিহাদ এবং পবিত্র আন্দোলন প্রত্যক্ষ্য করছে, মনে হচ্ছে এসবের মাধ্যমে পৃথিবী তার  বর্তমান সভ্যতা-সংস্কৃতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে আরেক নতুন ইসলামী সভ্যতার দিকে যাত্রার প্রথম ধাপ অতিক্রম করছে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন ‘ জয়-পরাজয়ের দিনগুলো আমি মানুষের মধ্যে পরিবর্তন করতে থাকি’।

এক সভ্যতা থেকে আরেক সভ্যতা-সাংস্কৃতির দিকে যাত্রা এবং হক-বাতিলের মাঝে চুড়ান্ত ফায়সালা সহজ সাবলীলভাবে সংগঠিত হয় না। বরং এ সময় প্রচন্ড রকমের ফেতনা, ফাসাদ, যুদ্ধ-বিগ্রহ চতুর দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এসব দ্বারা হক ও হকের ঝান্ডাবাহীদের সারি পৃথক হয়ে যায়। বাতিল পন্থীরা স্পষ্টরূপে চিহ্নিত হয়ে যায়। ঈমানদারদের ঈমানের পরীক্ষা হয়ে যায়।

কথার শেষ পর্যায়ে এসে আমি খবীস নুসাইরী গোষ্ঠীর সাথে জিহাদের ক্ষেত্রে উলামায়ে কেরামের ভুমিকা নিয়ে আলোচনা করতে চাই। উলামায়ে কেরাম আম্বিয়া আ. এর ওয়ারিস। উম্মাহকে পরিচালনা করা, হককে স্পষ্টরূপে বর্ণনা করা এবং তদানুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করাকে আল্লাহ তাআলা উলামাদের উপর ওয়াজিব করে দিয়েছেন। ইতিহাস সাক্ষী যখনই উলামায়ে কেরাম তাদের এই ওয়াজিদ দায়িত্ব পালনের জন্য দাঁড়িয়েছে, তখনই উম্মাহ তাদের পাশে এবং তাদের সন্তান মুজাহিদদের পাশে জড়ো হয়েছে। এর মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য খুব দ্রুত অবতীর্ণ হয়েছে।

তাতারদের বিরুদ্ধে মুসলিম উম্মাহর জিহাদের ক্ষেত্রে এ বিষয়টি দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট হয়েগেছে। ‘শাকহাব’ যুদ্ধে উলামায়ে কেরাম নিজেদের ওয়াজিব ভুমিকায় যখন অবতীর্ণ হলেন (তখন উলামাদের প্রতিনিধিত্ব করতে ছিলেন শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ.) তখন উম্মাহ তাঁদের পাশে এসে দাঁড়াল। তারা নিজেদের সন্তান মুজাহিদদেরকে আপন করে নিল। ফলশ্রুতিতে দ্রুত আল্লাহর সাহায্য নেমে আসল। বর্তমান যুদ্ধের চিত্র একই রকম হবে। যখনই উলামায়ে কেরাম নিজেদের দায়িত্ব পালন করবে, তখন উম্মাহ তাদের সাথে আসবে এবং মুজাহিদদের পাশে দাঁড়াবে, ফলে আল্লাহর ইচ্ছায় বিজয় এবং নুসরত ত্বরান্বিত হবে ।

হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে তোমার দীনের জন্য জীবিত রাখ এবং তোমার পথে মৃত্যু দান কর। আমীন।

 

 পিডিএফ

৭০৪.২৮ কেবি

https://www.pdf-archive.com/2016/08/23/sham1/

http://document.li/68np

http://up.top4top.net/downloadf-2358z3w2-pdf.html

http://www.mediafire.com/download/tyr8s2pfl5olpaj/sham1.pdf

ওয়ার্ড

৪৮৫.৫৮ কেবি 

http://up.top4top.net/downloadf-235xe3u1-docx.html

http://www.mediafire.com/download/0y84uikn6y0wr1h/sham.docx

exrj4w

https://justpaste.it/xm8f

https://jpst.it/MxSf

প্রকাশনা ও পরিবেশনা

প্রকাশকাল
২৩ আগস্ট ২০১৬ ইংরেজি

আপনাদের নেক দুয়ায় আমাদের ভুলবেননা!

আহলে সুন্নাহর প্রতি হৃদয়ের আহবান- শাইখ আবু মালিক আশ শামী হাফিজাহুল্লাহ

আহলে সুন্নাহর প্রতি হৃদয়ের আহবান

লেখকঃ

শাইখ আবু মালিক আশ শামী হাফিজাহুল্লাহ (জামাল হোসাইন জাইনিয়াহ)             

আমিরঃ জাবহাতুন নুসরাহ (বর্তমান জাবহাতু ফাতহিশ শাম), কালামুন শাখা

 

আলহামদু লিল্লাহ, ওয়াস সালাতু ওয়াসসালামু আলা রাসূলিল্লাহ।

আম্মা বা’দ- আহলে সুন্নাহর অনেক ভাই বিশেষত আমাদের লেবাননের ভাইয়েরা দীর্ঘদিন যাবত কুখ্যাত রাফেজী সংগঠন হিজবুল্লাত এবং তাদের সহযোগী অন্যান্য  রাফেজী সংগঠনগুলোর ব্যাপারে আমাদের যুদ্ধনীতি জানার আগ্রহে আছেন। প্রথম কথা হল- সিরিয়া যুদ্ধে তাদের যুদ্ধাপরাধগুলো কারো কাছেই অস্পষ্ট নয়। সিরিয়ার আহলে সুন্নাহর সাথে তাদের পাশবিক আচরণ, নারী-শিশুদেরকে নির্বাসন, মসজিদ মাদ্রাসা সহ পবিত্র স্থানসমুহের উপর বোমা বর্ষণ, ব্যাপক আকারে হত্যা লুন্ঠন সহ এমন কোন অপরাধ নেই  যা তারা সিরিয়াবাসীর সাথে করেনি।এরপর তারা ‍শুধু এতটুকুতেই ক্ষান্ত থাকেনি, বরং লেবাননে বসবাসকারী আমাদের আহলে সুন্নাহর ভাইদের সাথে এসব আচরণ শুরু করে দিয়েছে । এইতো সম্প্রতি ঘটে যাওয়া তোফাইল জনপদের ঘটনা আমাদের কার অজানা নয় । তারা লেবাননে আহলে সুন্নাহর প্রতিটি অঞ্চলে নিরাপত্তার নামে ভয়াবহ অবরোধ জারী করে রেখেছে । অথচ তারা ভুলে গেছে যে, আহলে সুন্নাহ হল আগ্নেয়গিরীর মত। কেউ যদি তার স্বাভাবিক একটি মুখ বন্ধ করে দেয় তাহলে তা আরো দশটি মুখ ফেড়ে বের হবে। আর যুদ্ধ তো সর্বদা তার আপন গতিতেই চলবে । তাই আমরা বর্তমান পরিস্থিতিতো আমাদের আহলে সুন্নাহ ভাইদের উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত বার্তাগুলো পাঠাচ্ছি যে,

এক.

কালামুন এবং লেবাননের সকল স্থানে আমাদের আহলে ‍সুন্নাহ ভাইয়েরা! আল্লাহর শপথ আমাদের অন্তরগুলো কখেনো প্রশান্ত হবেনা আমাদের চক্ষুগুলো কখনো ঠান্ডা হবেনা যতক্ষন পর্যন্ত আমরা আপনাদের পক্ষ হয়ে এই পাপিষ্ঠদের থেকে যুদ্ধাপরাধের প্রতিশোধ না নিবো। আব্দুল্লাহ বিন সাবা আর আবু লুলু আলমাজুসীর জারজ সন্তানদেরকে আমরা অক্ষরে অক্ষরে টের পাইয়ে দিবো যে, আহলে সুন্নাহর উপর এক ঘা তুললে কত ঘা খেতে হয়।

হে আমাদের সুন্নি ভাইরা! আপনারা দেখুন- প্রতিদিন বিভিন্ন ময়দানে তাদের মৃতদেহ গুলো কিভাবে কুকুরের মত পরে থাকে। আল্লাহ তায়ালা বলেনতোমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো আল্লাহ তায়ালা তোমাদের হাতে তাদেরকে শাস্তি দিবেন, তাদেরকে লাঞ্ছিত করবেন, তাদের উপর তোমাদেরকে বিজয়ী করবেন, মুমিনদের অন্তরকে প্রশান্ত করবেন তোমাদের অন্তরের ক্রোধকে প্রশমিত করবেন আল্লাহ তায়ালা যাকে চান তার তাওবা কবুল করেন আল্লাহ তায়ালা সর্বজ্ঞাত প্রজ্ঞাময়

আল্লাহ তায়ালা আরো বলেন- তাদেরকে যেখানে পাও সেখানেই হত্যা করো এবং তাদেরকে বের করে দাও যেমন তারা তোমাদেরকে বের করে দিয়েছে।

দুই.

রুমিয়া কারাগার এবং তাগুতের অন্যান্য কারাগারে আমাদের যেসব ভাই বন্দি তাদের উদ্দেশ্যে –

আল্লাহর শপথ আমাদের অন্তরগুলো আপনাদের সাথেই আছে। ইনশাআল্লাহ! বিপদ আর অল্প ক’দিন। সামান্য সময়ের ব্যাবধানে এই বিপদের অবসান হতে পারে। সুতরাং আপনারা আল্লাহ তায়ালার উপর সুধারণা পোষণ করুন। এবং আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হবেন না । কারণ একমাত্র কাফেররাই আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হতে পারে । আল্লাহ তায়ালা আমাদের সাথে দুই কল্যানের একটির ওয়াদা করেছেন। আল্লাহ তায়াল বলেন- আপনি তাদেরকে বলে দিন তোমরা আমাদের ব্যাপারে দুই কল্যাণের একটির অপেক্ষায় আছো। আর আমরা তোমাদের ব্যাপারে অপেক্ষা করছি যে, আল্লাহ তায়ালা তার পক্ষ থেকে অথবা আমাদের হাতে তোমাদেরকে শাস্তি দিবেন। সুতরাং তোমরা অপেক্ষায় থাক আমরাও তোমাদের সাথে অপেক্ষায় রইলাম।

তিন.

হিযবুল্লাহ নামি আল্লাহর দুশমন পাপিষ্ঠ রাফেজীদের প্রতি—

হে নাপাক নরাধম রাফেজীরা! তোরা ভাবিস না তোদের সাথে আমাদের এ যুদ্ধ কোন সীমান্ত বা পাহাড়ী  ঘাটির মাঝে সীমাব্ধ থাকবে। আলহামদু লিল্লাহ আমরা এতদিনে লেবাননে তোদের সকল অবরোধ উঠিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের সাথে এমন হাজারো ভাই রয়েছেন যারা শুধু অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছেন লেবাননের অভ্যন্তরে তোদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করতে। হাঁ ঐ দেখ দিগন্ত থেকে তেড়ে আসছে যুদ্ধের লাভা। তোরা অপেক্ষা কর আহলে সুন্নাহর সুপ্ত ক্রোধের, যা ধেয়ে আসছে তোদের বক্ষপানে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, হে মুমিনগণ! তোমরা তোমাদের নিকটবর্তী কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর। তারা যেন তোমাদের মাঝে ক্রোধ দেখতে পায়। আর জেনে রাখ আল্লাহ তায়ালা মুত্তাকিদের সাথে রয়েছেন।

চার.

সর্বশেষ আহবান

হে আমাদের লেবাননের ভাইয়েরা তোমরা তোমাদের সিরিয় ভাইদের সাথে যোগ্য ভাতৃত্ব এবং উত্তম প্রতিবেশিত্বের হক আদায় করেছ। তোমরা সকল বাধা বিপত্তির মুখেও তোমাদের ভাইদের পাশে দাড়িয়েছ। সুতরাং তোমরা সামনে বাড়ো! রাফিজেদের বিরুদ্ধে সকলে এক হস্ত এবং এক বক্ষ হয়ে যাও! আজ দেখ রাফেজীরা তোমাদের কাটার জন্য হাতে ছুরি তুলে নিয়েছে তোমাদের অপেক্ষার সময় শেষ হয়ে এসেছে। এই জীবনের কোন স্বাদ নেই যখন চোখের সামনে আমাদের মা বোনদের ইজ্জত লুন্ঠন করা হয়। আমাদের দ্বীনের তাচ্ছিল্য করা হয়। হা আমাদের বর্তমান প্রজন্ম আত্মমর্যাদাশীল প্রজন্ম। তারা লাঞ্ছনা মেনে নিতে পারেনা। সামনের দিনগুলোই প্রমাণ করবে কে মর্যাদাশীল আর কে লাঞ্চনার জীবনে অভ্যস্ত।

হে আল্লাহ! আপনি আপনার দীনকে বিজয়ী করুন । আপনার আওলিয়াদের সাহায্য করুন। এবং আপনার বাহিনী দ্বারা আমাদেরকে সাহায্য করুন। নিশ্চই আপনি সকল বিষয়ে ক্ষমতাবান।

 

 

মাআস সালাম

শাইখ আবু মালিক আশ শামী হাফিজাহুল্লাহ (জামাল হোসাইন জাইনিয়াহ)

আমিরঃ জাবহাতুন নুসরাহ (বর্তমান জাবহাতু ফাতহিশ শাম)

কালামুন শাখা

শাম আলমোকাদ্দাসাহ

 

পিডিএফ

৭৮৮ কেবি

https://www.pdf-archive.com/2016/08/23/ahlas-sunnah/

http://document.li/yZbo

http://www.mediafire.com/download/ygmvs6r45bysxpv/ahlas+sunnah.pdf

http://up.top4top.net/downloadf-235y6s82-pdf.html

ওয়ার্ড

১.৫৪ এমবি

http://up.top4top.net/downloadf-2353e8u1-docx.html

http://www.mediafire.com/download/ea1ukzdtkadu4t8/ahlas+sunna.docx

exrj4w

https://justpaste.it/xm81

https://jpst.it/MxQn

প্রকাশনা ও পরিবেশনা

প্রকাশকাল
২৩ আগস্ট ২০১৬ ইংরেজি

আপনাদের নেক দুয়ায় আমাদের ভুলবেননা!

উরুযগান প্রদেশের সামরিক কমাণ্ডার মোল্লা আমিনুল্লাহ উইসুফের সাক্ষাৎকার

0fkpjz

উরুযগান প্রদেশের সামরিক কমাণ্ডার

মোল্লা আমিনুল্লাহ উইসুফের সাক্ষাৎকার

 

সাক্ষাৎকার গ্রহণ

হাবীব মুজাহিদ হাফিজাহুল্লাহ

ভাষান্তর

আব্দুল্লাহ হিন্দুস্তানী হাফিজাহুল্লাহ

 

উরুযগানের ভৌগলিক অবস্থান: উরুযগান প্রদেশ আফগানিস্তানের মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশসমূহের একটি। এর পূর্বে গযনী ও যাবুল প্রদেশের একাংশ অবস্থিত। দক্ষিণে দায়ীকান্ডী প্রদেশ। পশ্চিমে হেলমান্দ। উত্তরে কান্দাহার এবং যাবুলের মূল ভুখণ্ড অবস্থিত। তারীন কোটশহরটি উরুযগানের প্রাণকেন্দ্র। এ প্রদেশের বসতী প্রায় চার লাখ। প্রদেশটি  ১২,৬৪০ বর্গ কিলোমিটারের উপর অবস্থিত। প্রদেশের দক্ষিণে অতীতে হাজারা গোত্রীয়দের বসবাসের স্থানকেও উরুযগানের অন্তর্ভুক্ত মনে করা হত। হামীদ কারজায়ীর শাসনামলে এ অঞ্চলকে দায়ী কান্ডীনামে নতুন একটি প্রদেশ করা হয়। উরুযগান প্রদেশ উরুযগানের কেন্দ্রীয় শরহ ব্যতীত দাহারঊদ, চারচীনো, চাওরাহ, খারখুরদী এবং চুনারাতো এর সমন্বয়ে গঠিত। এ প্রদেশের জিহাদী কমান্ডার মোল্লা আমিনুল্লাহ ইউসুফ থেকে গৃহিত সাক্ষাৎকারের চুম্বকাংশ পাঠকের সামনে পেশ করা হল।

প্রশ্নঃ উরুযগানের সামরিক গুরুত্ব সম্পর্কে কিছু বলুন।

উত্তরঃ উরুযগান প্রদেশ আফগানের গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশের একটি। যদিও প্রাশাসনিকভাবে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু মূলত এটি আফগানিস্তানের মেডেল পয়েন্টে অবস্থিত। বেশ কয়েকটি প্রদেশের সীমানা উরুযগানের সাথে মিলিত হয়েছে। উরুযগান প্রদেশ সৃষ্টিগতভাবে একটি পাহাড়ী ঘাটি। প্রদেশটি চতুর দিক থেকে পাহাড় বেষ্টিত এবং এর মধ্যে ছোট-বড় অসংখ্য নদী-নালা রয়েছে। যেহেতু সৃষ্টিগতভাবেই প্রদেশটি কেল্লা সদৃশ, তাই রাশিয়ার বিরুদ্ধে জিহাদের সময়ও এই প্রদেশের উপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। বর্তমানে আমেরিকার বিরুদ্ধে জিহাদের সময়ও এই প্রদেশ মুজাহিদদের গুরুত্বপূর্ণ ঘাটি হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। অন্যান্য এলাকার তুলনায় এই প্রদেশে শত্রুরা সৈন্য সমাবেশ বেশি করেছে এবং এই প্রদেশ ধরে রাখার জন্য বেশি শক্তি খাটাচ্ছে। কারণ তারা ভাল করেই জানে, এই এলাকা একবার হাত ছাড়া হয়ে গেলে পুনরায় মুজাহিদদের হাত থেকে উদ্ধার করা সম্ভব নয়। তাছাড়া সরকারের কাছে এই এলাকার উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদানের আরেকটি কারণ হল, বর্তমান পুতুল সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছিল এই এলাকা থেকেই। আমেরিকা নিজের খরীদকৃত গোলাম হামীদ কারজাঈকে এ এলাকা থেকেই ক্ষমতায় বসায়। নিজেদের স্পেশাল বাহিনীর মাধ্যমে তারা উরুযগান এবং কান্দাহার দখলের পর হামীদ কারজাঈকে তারা আফগানের ক্ষমতায় বসায়।

প্রশ্নঃ আমেরিকান আগ্রাসনের বিভিন্ন সময়ে উরুযগানের অবস্থা কেমন ছিল?

উত্তরঃ পূর্বেই বলা হয়েছে রাশিয়ার মত আমেরিকাও এ প্রদেশর উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। এ কারণেই এখানে আমেরিকা, হল্যাণ্ড এবং অষ্ট্রলিয়ান বাহিনীর মজবুত ঘাটি ও বেস তৈরি করা হয়েছি। কিন্তু তা সত্ত্বেও তাদের উপর ধারাবাহিক বিরতিতে গেরিলা হামলা চলতে থাকে। যার কারণে তাদেরকে অনেক ক্ষয়-ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। ২০০৯ সালের পর যখন এ অঞ্চলে মুজাহিদদের শক্তি বৃদ্ধি পেল এবং অনেক মুযাফাতী এলাকা মুজাহিদদের দখলে আসল, তখন আগ্রাসী আমেরিকা তাদের শেষ চেষ্টা স্বরূপ এখানে বিশেষ বাহিনী পাঠাল, সেনা সংখ্যা বৃদ্ধি করল, প্রত্যেক গ্রামে গ্রামে ক্যাম্প স্থাপন করল। ফলে যেসব এলাকা মুজাহিদদের হাতে এসেছিল তা পুনরায় হাত ছাড়া হয়ে গেল। সাধারণ মুসলিমদের উপর জুলুমের পরিমাণ বেড়ে গেল। চুরি, ডাকাতী, ছিনাতই, রাহাজানী, ধর্ষণ বহুমাত্রায় বেড়ে গেল। কিন্তু মুজাহিদগণ নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়াতে কোনো কার্পণ্য করেনি। তারা দুশমনকে হটানোর জন্য ধারাবাহিক গেরিলা হামলা পরিচালানা করে যাচ্ছিলেন। মুজাহিদদের হামলার মুখে অতিষ্ট হয়ে এক পর্যায়ে আগ্রাসী বাহিনী বিশেষ করে হল্যাণ্ড এবং অষ্ট্রলীয় বাহিনী উরুযগানা ত্যাগে বাধ্য হয়। নিজেদের ছাউনি, ঘাটি, মোর্চা সব কিছু আফগানী পুলিশ এবং সৈনিকদের কাছে হস্তান্তর করে পলায়ন করে।

প্রশ্নঃ লোক মুখে শুনা যাচ্ছে ইমারাতে ইসলামিয়ার বিগত আযম আপারেশন’-এর ফলে উরুযগানের ডায়রী নামক অঞ্চল দুশমন থেকে মুক্ত করা হয়েছে। এ সম্পর্কে কিছু বলুন।

উত্তরঃ গত বছর আফগানিস্তানের অধিকাংশ এলাকায় বিজয় এবং কামিয়াবীর বছর ছিল। আল্লাহর প্রতক্ষ্য মদদে মুজাহিদগণ অনেক এলাকা থেকে দুশমনের অস্তিত্ব খতম করে দিয়েছেন। উরুযগান প্রদেশের অবস্থা হল এই যে, এখানের জেলা শহরগুলো ব্যতীত উপশহর,থানা শহর এবং গ্রাম্য সমস্ত এলাকা মুজাহিদদের দখলে চলে এসেছে। উরুযগান জেলার দিকেই লক্ষ্য করুন। দেখবেন এখানের শালীনাওয়াহ, সুলতান মুহাম্মাদ নাওয়াহর মত গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো মুজাহিদদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দুশমনের যাবতীয় তৎপরতা জেলা শহরে সীমাবদ্ধ হয়ে আছে। চারচিনো জেলাকে খারখুরদী এবং শহীদ হাস্সাস এই দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে খারখুরদী পরিপূর্ণভাবে মুজাহিদদের হাতে রয়েছে। আর বাকী অংশের শুধু হুশীকোচী বাজার শত্রুর কব্জায় রয়েছে। উক্ত বাজারেও মুজাহিদদের হামলা জারি রয়েছে। যেকোনো সময় তা পতন হবে।  দাহারঊদ জেলা আফগান বাহিনীর কাছে উরুযগানের কেন্দ্রীয় শহরের চেয়েও বেশি গুরুত্ব রাখে। তারা এ  জেলা হেফাজতের জন্য নিজেদের সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে। এ জেলার ওরজান, শোরজী, সাংলাখ, বাযগীর, দাহযাক, সিয়াসাংগ, কোর, শানগুলী এবং গাড়ী এসব এলাকা বিজয় হয়েছে। মুজাহিদগণ তাংগী পর্যন্ত পৌঁছেগেছেন। এখানেও দুশমন মূলত জেলা শহরে বন্দী হয়ে আছে। এ জেলা হেফাজতের জন্য একবার উরুযগানের কেন্দ্রীয় শহর থেকে এক কনভয় এসেছিল। তারা পথিমধ্যে হামলার শিকার হয়ে পরাজিত হয়ে পালিয়ে গেছে। এরপর কান্দাহার থেকে কমান্ডো বাহিনী পাঠানো হয়েছে। তাদের উপর এখনও হামলা চলছে। চওরাহ এবং চুনারাতু জেলারও অধিকাংশ এলাকা মুজাহিদদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মারকাজ তারীন কোট দরবেশাঁ, মুরাদাবাদ এবং পাঈনাওয়াহ এলাকাতেও মুজাহিদগণ অগ্রসরমান।

প্রশ্নঃ গত বছরের আযম আপারেশচলাকালিন গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমূহে জিহাদী অপারেশনের বিবরণ জানতে চাই।

উত্তরঃ আমি উরুযগানে সংঘঠিত এমন বড় কয়েকটি অভিযানের কথা বলব, যে অভিযানের সংবাদ মিডিয়াও প্রকাশ করেছে। ২০১৫ এর ২৬ শে এপ্রিল উরুযগানের পুলিশ প্রধান গোলাব খান মুজাহিদদের এক সফল অপারেশনে নিহত হয়। ২২ শে মার্চ উরুযগান জেলায় মুজাহিদগণ দশটি সেনা চৌকি পদানত করেছেন। এ সময় চল্লিশ জন শত্রুসেনা আত্মসমর্পন করে। ২৩ মার্চ চারচিনোর পুলিশ চিফ এক বোমা বিষ্ফোরণে নিহত হয়। ২৭ শে মে উরুযগান জেলায় ৩৭ জন আরবাকী এবং পুলিশ আত্মসমর্পণ করেছে। মে মাসের শুরু দিকে মুজাহিদগণ চারচিনো জেলার যামবুরী, হুশী এবং রেগকী এসব এলাকার পুলিশ এবং সেনা চৌকিতে বিস্তর হামলা চালিয়ে তাদের থেকে এসব এলাকা মুক্ত করে নেয়। ১৭ জুলাই দাহারঊদের পুলিশ কমাণ্ডার হাজী তালেব এবং তার ডেপুটি জান আগাখানী নিজেদের চার সাথীসহ মুজাহিদদের সফল অভিযানে নিহত হয়। আগস্টের শুরুতে মুজাহিদগণ সুলতান মুহাম্মাদ নাওয়াহ অভিমুখে অগ্রাভিযান শুরু করে। ২৩ শে মার্চ এই বিশাল এলাকা মুজাহিদদের হাতে এসে যায়। দুশমনের ডজন ডজন সৈনিক নিহত হয়েছে। অনেকে আত্মসমর্পণ করেছে। আর বাকীরা পালিয়ে জীবন বাঁচিয়েছে।

২০১৬-এর জানুয়ারী মাসে মুজাহিদগণ দাহারঊদ এবং চারচিনো জেলায় অভিযান শুরু করে। জানুয়ারীর ত্রিশ তারিখে খারখুরদী জেলা মুজাহিদদের পদানত হয় এবং সারআব অঞ্চলও শত্রুর দখলমুক্ত হয়। মার্চের ১১ তারিখ উরুযগান জেলায় ৬০ জন শত্রু সেনা আত্মসমার্পণ করেছে। মার্চের শেষের দিকে চারচিনোতে পুনরায় হামলা শুরু করা হয়। যা এখনও জারি আছে। এখন পর্যন্ত মুজাহিদগণ দশের অধিক পোস্ট পদানত করেছেন এবং শত্রুর প্রতি ঘেরাও আরও মজবুত করছেন।

প্রশ্নঃ মুজাহিদীন যদি উরুযগানের সমস্ত জেলা শহর বিজয় করে ফেলে, তাহলে আমেরিকা ও তার সেবাদাসদের বিরুদ্ধে চলমান জিহাদে এর প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে বলে মনে করেন?

উত্তরঃ আল্লাহ তাআলার রহমত ও সাহায্যে মুজাহিদীন অতিশীঘ্রই জেলা শহরগুলোয়ও বিজয় কেতন উড়াবেন। ইতিমধ্যে এর পরিকল্পনা তৈরি হয়েগেছে। এখন শুধু বাস্তবায়নের পালা। জেলা শহরগুলো বিজয়ের পর প্রাদেশিক শিবিরে দুশমন বেশি দিন টিকতে পারবে না। প্রাদেশিক মারকাজ পদানত হলে এটা দুশমনের জন্য এক চরম পরাজয় ও চপেটাঘাত বলে সাব্যস্ত হবে। এই এলাকা একবার তাদের হাত ছাড়া হলে দ্বিতীয়বার তারা এখানে প্রবেশের সুযোগ পাবে না। কেননা উরুযগানের পার্শ্ববর্তী হেলমান্দ, যাবুল এবং কান্দাহারেও মুজাহিদীনের বিজয়াভিযান দ্রুতগতিতে অগ্রসরমান। তাছাড়া উরুযগান এমন এলাকা নয় যে দুশমন চাইলেই শক্তি খাটিয়ে ছিনিয়ে নিতে পারবে। কেননা এখানের সমস্ত জনগণ মুজাহিদদের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেছে। আর এখন আগ্রাসনের প্রথম যুগ নয় যে, আমেরিকা চাইলেই মিডিয়ায় প্রপাগণ্ডা ছড়িয়ে জনগণকে নিজেদেরমুখী করে ফেলবে।

প্রশ্নঃ উরুযগান প্রদেশে কি এমন কোনো এলাকা আছে যেখানে ইমারাতে ইসলামিয়ার মুজাহিদ ব্যতীত অন্যকোনো বিরোধী গ্রুপের কার্যক্রম চলছে

উত্তরঃ আল-হামদুলিল্লাহ! উরুযগানের সকল মুজাহিদ ইমারাতে ইসলামিয়ার সাথে রয়েছে। সকলে এক আমীর তথা মোল্লা আখতার মুহাম্মাদ মানসূর হাফি:-এর অধীনে এক পতাকাতলে যুদ্ধ করে যাচ্ছে। সকলেই আমীরুল মুমিনীনের হাতে বাইয়াত। আফগানিস্তানের অনান্য প্রদেশের মত উরুযগানেও প্রশ্নে উল্লেখিত কোনো সমস্যা দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না। বরং আমরা যদি পূর্ণ আফগানিস্তানকে সামনে রাখি তাহলে দেখতে পাই যে, আফগানিস্তানের ৩৪ টি প্রদেশের মধ্যে মাত্র দু‘টি প্রদেশে এমন একটি গ্রুপের অস্তিত্ব পাওয়া যায়, যারা নিজেদেরকে ইমারাতে ইসলামিয়া থেকে পৃথক করে নিয়েছে। আর বাকী ৩২টি প্রদেশে ঐ গ্রুপের কোনো অস্তিত্ব নেই। ইমারাতে ইসলামিয়া উক্ত গ্রুপের সমস্যা সমাধানের জন্য বিশেষ ফিকির করছে।

প্রশ্নঃ মুহতারাম! আপনি যদি কোনো পয়গাম দিতে চান, তাহলে আমরা সযত্নে পৌঁছে দিব ইনশাআল্লাহ!

উত্তরঃ আমার পয়গাম মুজাহিদ ভাইদের উদ্দেশ্যে। ভাইগণ! নতুন বছর এসে গেছে। নতুন অপারেশনের সময়ও আসন্ন। তাই প্রত্যেক মুজাহিদের উচিত নিজের নিয়ত যাচাই করে নেয়া। নিয়তে কি শুধু আল্লাহকে রাজী-খুশি করাই আছে নাকি অন্য কিছু আছে? নিজের সংশোধনের ফিকির করা চাই। পুনরায় দেশময় আল্লাহর বিধান কায়েমের জন্য এবং সমস্ত অশ্লীলতা-পাপাচার দূরীভ‚ত করার জন্য জিহাদের দিকে পূর্ণ মনোনিবেশ করা উচিত। শত্রুর প্রপাগাণ্ডা এবং শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে নিজেকে হেফাজত করতে হবে। এসব থেকে নিজেকে হেফাজতের সহজ পন্থা হল, নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব গুরুত্বসহকারে সুচারুরূপে আঞ্জাম দেয়ার প্রতি পূর্ণরূপে মনোনিবেশ করা।

আল্লাহ তাআলার উপর আমাদের পূর্ণ ইয়াকীন রয়েছে যে, তাঁর সাহায্যের দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। দেশের চতুর দিক থেকে বিজয়ের সুখবর আসতেছে। প্রিয় ভ্রাতাগণ! আফগান জিহাদের এই গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে বিজয়ী লশকরের সঙ্গী বনে যান। নিজের যাবতীয় যোগ্যতা শত্রুর উপর উপর্যপরি হামলা এবং আল্লাহর বিধান কায়েম করণার্থে ব্যয় করুন। ইনশাআল্লাহ সেই দিন  বেশি দূরে নয়, যেদিন সম্মিলিত কুফুরী শক্তি পরাজিত হবে; দেশময় আল্লহর বিধান কায়েম হবে এবং কালিমা খচিত সাদা পতাকা সগর্বে পতপত করে উড়তে থাকবে।

PDF

465.26 KB

https://www.pdf-archive.com/2016/08/23/urujgan1/

http://up.top4top.net/downloadf-235qh8d1-pdf.html

http://www.mediafire.com/download/8kojpkm45akgx3g/urujgan1.pdf

WORD

477.17 KB

http://up.top4top.net/downloadf-235h1jd2-docx.html

http://www.mediafire.com/download/4ak7lcoxe3e6em3/urujgan.docx

exrj4w

https://justpaste.it/xm7j

https://jpst.it/MxOB

প্রকাশনা ও পরিবেশনা

প্রকাশকাল
২৩ আগস্ট ২০১৬ ইংরেজি

আপনাদের নেক দুয়ায় আমাদের ভুলবেননা!

কেন পাকিস্তানে জিহাদরত মুজাহিদিন কাশ্মির গিয়ে যুদ্ধ করে না?

কেন???

কেন পাকিস্তানে জিহাদরত মুজাহিদিন কাশ্মির গিয়ে যুদ্ধ করে না?

বেশির ভাগ পাকিস্তানি মুজাহিদিন কাশ্মিরে যুদ্ধ করছিল, তবে কেন তারা কাশ্মির ছেড়ে পাকিস্তানে জিহাদ শুরু করল?

এই প্রশ্নটি পাকিস্তানে যুদ্ধরত মুজাহিদিনদের ওপর অনেক সময় ধরেই করা হচ্ছিল। এই প্রশ্নের উত্তর নিম্নে লিখিত উদাহরণে রয়েছে। তবে তার আগে আমি আপনাদের একটি দৃষ্টান্ত এই বাস্তবতার উপর দিতে চাই যে পাকিস্তানে যুদ্ধরত বেশিরভাগ মুজাহিদিন নেতারা কাশ্মিরের রনাঙ্গনে বীরত্বের সাথে লড়াই করেছেন।

কিন্তু কেন তাহলে এই লোকগুলো যারা কাশ্মিরে লড়াই করছিল তারা কাশ্মিরের রণাঙ্গন ছেড়ে এখানে চলে আসলো। বিস্তারিত উত্তর নিম্নের উদাহরণে দেয়া আছে।

বুদ্ধিমানের জন্য ইশারাই যথেষ্ট।

শহীদ ইলিয়াস কাশ্মিরি (রহঃ)

শহীদ ইলিয়াস কাশ্মিরি (রহঃ) যিনি ভারতের জেল থেকে পালিয়েছেন, কোন সাধারন লোক নন।

কাশ্মির ও আফগানিস্তানের মুজাহিদিনদের মতে, তিনি একজন সত্যবাদী এবং সৎ চরিত্রের মুজাহিদিন ছিলেন, যিনি রাশিয়ার বিরুদ্ধে আফগান জিহাদে, ভারতের বিরুদ্ধে কাশ্মিরে ও এখনকার সবচেয়ে বড় তাগুত আমেরিকার বিরুদ্ধে জিহাদে অনেক কুরবানি দিয়েছেন। আল্লাহ শহিদ ইলিয়াস কাশ্মিরির (রহঃ) উপর রহমত বর্ষণ করুন।

৪২ বছর বয়সের ইলিয়াস কাশ্মিরি আজাদ কাশ্মিরের কতলি এলাকার অধিবাসী ছিলেন। তিনি তার সময়ের সেরা সামরিক বিষয়ক শিক্ষক ছিলেন এবং একজন  গেরিলা যুদ্ধের বিশেষজ্ঞ ছিলেন। রাশিয়ার দখলদারদের বিরুদ্ধে জিহাদে তিনি তার এক চোখ আল্লাহের রাস্তায় কোরবানি করেছেন। কিন্তু আল্লাহের রাস্তায় তাঁর দৃঢ়তা ও সঙ্কল্পতায় কখনই কমতি হয় নি। তিনি সবসময় আল্লাহর রাস্তায় শাহাদাত খুজে বেড়িয়েছেন।

আফগানিস্তানে রাশিয়ার পরাজয়ের পর, শাহীদ ইলিয়াস কাশ্মিরি (রহঃ) এবং উনার মত আরও শত মুজাহিদিন শাহাদাত বরণ ও কাশ্মিরের মুসলমানদেরকে গরু পুজারিদের হাত থেকে স্বাধীন করার লক্ষে কাশ্মিরের দিকে ফিরে এসেছিলেন। যেহেতু শহীদ ইলিয়াস কাশ্মিরি একজন দক্ষ অভিজ্ঞ কমান্ডার ছিলেন, হয়ত সে কারনেই নিরাপত্তা সংস্থা উনার স্বাধীন ভাবে কাজ করাটা উপযুক্ত মনে করেনি। তাকে (রহঃ) বলা হল যেন তিনি কাশ্মিরিদের সাহায্য করা থেকে বিরত থাকেন, কিন্তু তিনি কর্ণপাত করেননি। এবং যেহেতু আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করাকে তিনি অধিক ভালোবাসেন তাই তিনি কখনও এ জিহাদে যোগ দিতে ইতস্তত করেননি। ১৯৯১ সালে তিনি কাশ্মিরে লাশকার হারকাত আল জিহাদ আল ইসলামি নামক দলে যোগ দেন কিন্তু কয়েক বছর পর দলের উপর প্রাতিষ্ঠানিক হস্তক্ষেপ থাকায় তিনি দলটি ছেড়ে দেন। এবং প্রাতিষ্ঠানিক হস্তক্ষেপের বাইরে গিয়ে হরকাত আল জিহাদ আল ইসলামি ৩১৩ ব্রিগেড প্রতিষ্ঠা করেন, যা এমন মজবুত আক্রমণাত্মক অপারেশন চালায়, যে কয়েক মাসের মধ্যেই ভারতীয় সেনাবাহিনি এই দলের নাম শুনলেই কেঁপে উঠত। বেশির ভাগ অপারেশনে তিনি নিজেই শাহাদাতের প্রবল আকাংখা নিয়ে যোগ দিতেন। তাঁর এ অতুলনীয় জযবার জন্য সাথীদের মধ্যেও তাঁর একটি বিশেষ স্থান ছিল।

একবার ভারতীয় সেনাবাহিনী তাঁকে দখলকৃত কাশ্মির থেকে তাঁর এক সাথী, নাসরুল্লাহ মনসুর লাংরাইল (আল্লাহ তাঁকে জেল থেকে আজাদ করুন) সহ গ্রেফতার করে। ভারতীয় সেনাবাহিনী দুজনকেই জেলে পাঠায়। তাঁকে দু বছরে ভারতের বিভিন্ন জেলে রাখা হয় এবং একদিন অবশেষে তাঁর সাথী নাসরুল্লাহ মনসুর লাংরাইল জেলে থাকা অবস্থায় আল্লাহর সাহায্যে  তিনি জেলে ভেঙে পালিয়ে যান। ভারতীয় জেল পালানোর পর তিনি বিশেষ খ্যাতি লাভ করেন। কাশ্মির জিহাদের উপর লেখা প্রকাশনাগুলোতে তাঁকে একজন বীর নায়ক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

১৯৯৮ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনী আজাদ কাশ্মিরের নিরীহ মানুষের উপর যখন আক্রমণ চালানো শুরু করে, তখন ইলিয়াস কাশ্মির (রহঃ) ভারতীয় সেনাবাহিনীকে পেছন থেকে হামলা করার পরিকল্পনা করে। বেশ কয়েক বার পাপিষ্ঠ হিন্দুদের উপর হামলা করে আহত করায় তারা তাদের কর্মকাণ্ড বন্ধ করে। ফেব্রুয়ারী ২০০০ সালের এক রাতে, ভারতীয় বিশেষ ফোর্স এক পাকিস্তানি গ্রামে হামলা করে। ভারতীয় সেনারা সারারাত ওই গ্রামে কাটায় এবং পরদিন সকালে তিনজন মেয়ের গলা কেটে হত্যা করে তাদের মাথা নিয়ে যায়। আরও দুইজন মেয়েকে ভারতীয় কমান্ডাররা অপহরন করে নিয়ে যায়। ২৪ ঘণ্টা পর তাদের মাথা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। যখন আল্লাহর সিংহ ইলিয়াস কাশ্মিরি ভারতীয় বাহিনীর এই জঘন্য কাজের কথা জানতে পারেন, তখন তিনি আহত সিংহের মত হয়ে উঠেন এবং এর প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দেন ভারতীয় বাহিনী থেকে। পরদিন ২৬ ফেব্রুয়ারী তিনি নাক্যাল এলাকায় ভারতীয় বাহিনীর উপর গেরিলা আক্রমন করেন। ৩১৩ জনের ব্রিগেডের ২৫ জন বীর যোদ্ধা একটি ভারতীয় বাঙ্কার ঘেরাও করে ও তাতে গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। একজন যোদ্ধার শাহাদাত ও সাতজন গো পূজারীকে জাহান্নামে পাঠানর পর তাঁরা একজন ভারতীও ক্যাপ্টেনকে জীবিত গ্রেপ্তার করে। পরে ওই ভারতীয় ক্যাপ্টেনের মাথা ওই মৃত মেয়েদের পরিবারের সামনে কাটা হয়। ওই সময় তাঁর সাথীরা ওই ঘটনার ছবি তুলে রাখে স্মৃতি হিসেবে। পরে এই মাথা পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে দেয়া হয়, যা তৎকালিন সেনাবাহিনীর প্রধান পারভেয মোশারফকে পেশ করা হয়। পারভেয মোশারফ  শহিদ ইলিয়াস কাশ্মিরির এই বীরত্ব প্রকাশের জন্য প্রশংসা করে এবং তাঁকে নগদ ১ লক্ষ রুপি দেয়া হয়। পাকিস্তানের পত্রপত্রিকায় ভারতীয় ক্যাপ্টেনের কাটা মাথা সহ ইলিয়াস কাশ্মিরির ছবি দেয়া হয়। হঠাৎ করেই কাশ্মিরি মুজাহিদদের মধ্যে ইলিয়াস কাশ্মিরির গুরুত্ব বেরে যায়। তাঁকে একজন বীর হিসেবে গণ্য করা হয়, যিনি মুসলমানদের হৃদয়কে শান্ত করেন এবং সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শনের মাধ্যমে তাদেরকে গর্ববোধ করান। কিন্তু তিনি কখনও দুনিয়াবি গৌরবের জন্য নয় বরং তাঁর প্রভুর সন্তুষ্টি পাওয়ার চেষ্টা করতেন। এরপর জামিয়া মুহাম্মদিয়া ইসলামাবাদের মাওলানা জাহুর আহমেদ আলভী (রহঃ) ভারতীয় সেনা ক্যাপ্টেনের গলা কাটার পক্ষে ফতওয়া দেন।

খুব দ্রুতই কাশ্মিরের এই বীর মুজাহিদ বেঈমান ও শত্রুদেরকে আতংকিত করে তুললেন। তাঁর গেরিলা অপারেশন এমনি এক মাত্রায় পৌছাল, যে তিনি ভারতীয় সেনাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটি দখল করে নিলেন। কতলি আজাদ কাশ্মিরে আয়ত্তে রাখা এই ঘাটিটি আসলে একটি পর্বত যা এখানকার ভাষায় বলা হয় “ভাল্লুক পর্বত”। আর মুজাহিদিনরা এটাকে ডাকত “বাস্কার পর্বত”। এই পর্বতটি ভারত থেকে একটি যুদ্ধের মাধ্যমে বিজিত হয় এবং এই পর্বতটি খুব গুরুত্বপূর্ণ কারণ এতে মুজাহিদগণ তাদের যোগাযোগ ব্যবস্তা স্থাপন করে যার মাধ্যমে দখলকৃত কাশ্মির উপত্যকায় কর্মরত মুজাহিদিন দের সাথে যোগাযোগ করা যায়। তারপর নাপাক সেনাদল বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার নামে সংগঠনের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে থাকে। আপনি তাদের হস্তক্ষেপের বিষয়টা বুঝার জন্য এই ঘটনা লক্ষ করবেন যে তৎকালিন রাওয়ালপিন্ডির কর্প কমান্ডার, জেনারেল মেহমুদ আহমেদ, প্রায় ইলিয়াস কাশ্মিরি (রহঃ) এর ঘাটিতে যেত এবং (ভণ্ডামিপূর্ণ ভাবে) ভারতীয় সেনার বিরুদ্ধে তাঁর গেরিলা অপারেশনের তারিফ করত। এইসব সেই সময় যখন ইলিয়াস কাশ্মিরি (রহঃ) ভারতীয় সেনাদের বিরুদ্ধে তাঁর কার্যক্রমের তুঙ্গে। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই ইলিয়াস কাশ্মিরি সেনাবাহিনীর আসল উদ্দেশ্য বুঝে ফেলেন। এই বন্ধুত্ব ভেঙে যায়। এবং ইলিয়াস কাশ্মিরির উপর বিচার শুরু হয় এবং এর কারণ হল একটি কথিত জিহাদি সংগঠন। কান্দাহারে বিমান হাইজ্যাক করলে মাওলানা মাসুদ আযহারকে ভারতীয় জেল ছেড়ে দেওয়া হয় এবং পাকিস্তানে চলে আসে। পাকিস্তানে আসার পরপরই মাউলানা মাসউদ আযহার তাঁর নিজের সংগঠনের এলান করে যার নাম জাইশে মুহাম্মদ। কাশ্মির জিহাদের অনেক মুজাহিদ এই নতুন দলে যোগ দেয়। জেনারেল মেহমুদ ইলিয়াস কাশ্মিরিকে জাইশে মুহাম্মদে যোগ দিতে বলে ও বলে যেন বাস্কার পর্বতের ঘাটিটি ভারতকে ফেরত দেওয়া হয় এবং তিনি যাতে মাউলানা মাসুদ আযহারকে তাঁর নেতা মানে ও গোয়েন্দাদের হাতে চলে আসে। এই সব কিছুর জন্য তাঁর উপর অনেক চাপ প্রয়গ করা হয়। কিন্তু তিনি এসব করতে রাজি হননি এবং গোয়েন্দাদের এই চাপকে অগ্রাহ্য করেন। এর ফলে জাইশে মুহাম্মদের যোদ্ধারা ইলিয়াস কাশ্মিরির (রহঃ) ঘাটিতে আক্রমন চালায়। অন্যদিকে ভারতীয় বাহিনী ঘাটির উপর প্রবল বোমা বর্ষণ করতে থাকে কিন্তু পরাক্রমশালী আল্লাহর কুদরতে ইলিয়াস কাশ্মিরি (রহঃ) বেচে যান কিন্তু তাঁর অনেক সাথী এই লড়াইয়ে শহীদ হন (আল্লাহ তাদের শাহাদাত কবুল করুন, আমিন)। এরপর এই ঘাটিটি ভারতকে উপহার হিসেবে দিয়ে দেওয়া হয়।

প্রায় একই সময় বরকতময় ৯/১১ ঘটনাটি ঘটে। এবং তারপর ইলিয়াস কাশ্মিরি (রহঃ) কে একজন বীর থেকে একজন সন্ত্রাসী আখ্যা দেয়া হয়। সামরিক সংস্থাগুলো তাঁকে গ্রেফতার করার পরকল্পনা করতে থাকে। এবং অবশেষে জেনারেল পারভেয মোশাররফ তাঁকে সন্ত্রাসী ঘোষণা করে এবং তাঁর সংগঠনকে নিষিদ্ধ করে দায়। পারভেয মোশাররফ সেই ব্যক্তি, যে ইলিয়াস কাশ্মিরি ও তাঁর দলকে দুই বছর আগে প্রশংসা করে ও ১ লক্ষ রুপি পুরস্কার দেয়। ২০০৩ এ তাঁকে পারভেয মোশাররফের উপর হামলার মিথ্যা অপবাদ দিয়ে গ্রেফতার করা হয়। যেখানে বাস্তবতা হল পারভেয মোশাররফের উপর হামলার সময় ইলিয়াস কাশ্মিরি মাত্র এল ও সি পার করেন ও উপত্যকায় প্রবেশ করেন, যেখানে তিনি জাম্মুর টাণ্ডা এলাকায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের উপর হামলা করেন ও নিহত করেন। আই এস আই এর জেলে তাঁকে খুব মারাত্মক কষ্ট দেয়া হয়। তাঁকে এক বছর জেলে রাখা হয় এমন এক কারনে যা তিনি করেননি এবং সামরিক সংস্থা তাঁর বিরুদ্ধে কিছু প্রমান না করতে পেরে অবশেষে তাঁকে ছেড়ে দেয়। কিন্তু ২০০৫ তাঁকে আবার বিনা কারনে গ্রেফতার করা হয়। হাজতে তাঁকে খুব মারাত্মক নির্যাতন ও অপমান করা হয়, যা দেখে হিজবুল মুজাহিদিনের উপরস্থ নেতা বলতে বাধ্য হয় যে ভারত ও পাকিস্তানের জেলের মধ্যে কোন পার্থক্য নাই। এই লোকগুলো আমাদের বিশ্বাস করে না,কারণ আমরা কাশ্মিরি। অবশেষে এক বছর রাখার পর এবং কাশমিরের জিহাদি সংগঠনগুলোর চাপে সামরিক সংস্থা তাঁকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গ্রেফতার ও নির্যাতন তাঁকে ভেতর থেকে ভেঙে দেয়। এবং তিনি নিজেকে কাশ্মিরি যোদ্ধাদের থেকে আলাদা করে ফেলেন এবং কিছু সময়ের জন্য নিশ্চুপ হয়ে যান। জুলাই ২০০৭ এ লাল মসজিদের ঘটনা তাঁকে একেবারে বদলে দেয় এবং তাঁর নিরবতা ভাঙতে বাধ্য করে।  যে সিংহ তাঁর বোনদের রক্ষার্থে নিজের জীবন বাজি রাখে সে যখন দেখল যে তাঁর নিজের নাপাক সেনারা তাঁর বোনদের উপর এই ঝুলুম চালাল ও তাদের শাহীদ করল, সে হতবম্ব হয়ে গেল। বোনদের শরিয়াতের হুকুম প্রতিস্থাপনের ডাক দেওয়া এবং নাপাক সেনাদলের সত্যিকার চেহারা প্রকাশ পাওয়া ও তাদের জুলুম বৃদ্ধি পাওয়ায় তাঁর মন-মস্তিষ্কের অবস্থা একেবারে পাল্টে দেয়। বোনদের শাহাদাতের প্রতিশোধ নিতে ও আল্লাহ সম্মান রক্ষা করতে তিনি উত্তর ওয়াযিরিস্তানে চলে যায়।  বুকে শাহাদাতের আকাংখা নিয়ে এই মুজাহিদ জিহাদের মহান শিক্ষক হিসেবে অনেক দিন খেদমত করেন। এই এলাকা সত্যিকার মুজাহিদ, বন্ধু ও  সমর্থক দ্বারা ভরা ছিল। আনসার ও মুজাহিদের এই অদ্ভুত শহরে তিনি ৩১৩ ব্রিগেড আবার  সংগঠিত করেন। এবং সবচেয়ে বড় তাগুত আমেরিকা  ও তাঁর দোসরদের বিরুদ্ধে তালিবানের পাশে থেকে জিহাদ শুরু করেন। তালিবান ও ইলিয়াস কাশ্মিরি (রহঃ) মিলে উম্মাহর বিশ্বাসঘাতকদের নিশ্চিহ্ন করার সিদ্ধান্ত নেয়। তিনি এই একই কারণে কাজ করা দলগুলোকে আর্থিক ও অস্ত্র প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সরাসরি সাহায্য করেন।  এর সাথে তিনি ওই সব অভিজ্ঞ যোদ্ধা যারা আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে বা আমেরিকার হয়ে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানোয় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে, তাঁদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে থাকেন। উত্তর ওয়াযিরিস্তানে ৩১৩ ব্রিগেডের শক্তি গিয়ে দাড়ায় ৩০০০ এ, যার মধ্যে বেশির ভাগ যোদ্ধাই সিন্ধ, পাঞ্জাব ও আজাদ কাশ্মিরের। তাঁর কিছু উল্লেখযোগ্য সাফল্য হল, মেজর জেনারেল ফাইসাল আলভীর হত্যা এবং বেশ কিছু সেনা স্থাপনায় আক্রমন করা। মেজর জেনারেল ফাইসাল আলভী এস এস জির ছিলেন এবং ২০০৪ এ উত্তর ওয়াযিরিস্তানে প্রথন হামলার নেতৃত্বে। এমন অনেক রিপোর্ট ও পাওয়া যায় যে ইলিয়াস কাশ্মিাকে মেজর জেনারেল ফাইসাল আলভীকে হত্যা করার জন্য তালিবান থেকে বলা হয়। ইলিয়াস কাশ্মিরি (রহঃ) নাপাক সেনাদলকে তাঁর টার্গেট বানায়, কারণ পাকিস্তানি সংস্থা কাফিরদের কাতারে যোগ দেয় বলে।  তিনি বিশ্ব জিহাদি সংগঠন কায়দাতুল জিহাদের এক দলের নেতা হিসেবেও কাজ করেছেন। তাঁর গুরুত্ব বুঝা যায় এভাবেও যে শাইখ উসামা বিন লাদেনের শাহাদাতের পর তাঁর নামও উত্তরসরিদের মধ্যে নেয়া হয়। এবং তিনি পি এন এস মেহরান  ঘাটি করাচির উপর বড় হামলা করে ইলিয়াস কাশ্মিরি (রহঃ) উসামা বিন লাদেনের শাহাদাতের প্রতিশোধও নেন এবং মুমিনদের হৃদয়কে ঠাণ্ডা করেন। অবশেষে এই মুজাহিদ তাঁর গন্তব্যে সফলতার সাথে পৌঁছান এবং তাঁর প্রভুর কাছে দেওয়া প্রতিজ্ঞা পূরণের মাধ্যমে জান্নারতের সফর শুরু করে। আল্লাহ তাঁর শাহাদাত কবুল করুক। আমিন।

এই মুজাহিদিনেরা আসলেই ইসলামের প্রথম প্রতিরক্ষা স্থর।

নিঃসন্দেহে ইলিয়াস কাশ্মিরির ঘটনা অবিস্মরণীয়, তবে এই ঘটনাগুলো যানার পর কোন সন্দেহ নেই যে অন্যান্য মুজাহিদিনের মত ইলিয়াস কাশ্মিরিও পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর জন্য আল্লাহর গযব প্রমান হয়েছে, কারণ এই সেনাবাহিনী যারা ইসলামের সাথে বেইমানি করেছে। এই লোকগুলোকেই মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল এবং উপরস্থ কর্মকর্তারা তাদের সম্মান ও শ্রদ্ধা করতো। এবং জরুরি সময় সবচেয়ে বড় শত্রু ভারত তাদেরকে পেছন থেকে হামলা হতে দেখত। ইসলামের প্রতি বন্ধুত্ব বা শত্রুতা নির্ণয় করার একটি সহজ ও সোজা পদ্ধতি আছে। আমেরিকা, ভারত ও অন্যান্য কাফেরদের মতামত শুনলেই বুজতে তা পারবেন। কাফেরদের কাছে ইলিয়াস কাশ্মিরি ছিলেন একজন সন্ত্রাসী। আমেরিকা তাঁর উপর ২০ লক্ষ মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। ইনশাআল্লাহ মুসলিম উম্মাহর ইতিহাসে তাঁর নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা হবে।

এই উদাহারনের উদ্দেশ্য হল একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা, যে কেন এই নেতারা কাশ্মির জিহাদ ছেড়ে এই মুরতাদ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে জিহাদ শুরু করল।

আপনি পার্থক্য বুঝতে পারবেন এই দেখে যে, আমরা থাকতে কাশ্মির রণাঙ্গনের অবস্থা কি ছিল আর আমরা ছেড়ে আসার পর এখন কি আছে।

আমরা আগেও কাশ্মিরে জিহাদ করেছি এবং আমরা ভবিষ্যতেও কাশিমিরের জিহাদ চালিয়ে যাব কিন্তু তাঁর আগে আমরা ওই সকল বাধা নির্মূল করব, যা আমাদের পথে আসে এবং তারপর আমরা আমাদের মনোযোগ কাশ্মিরের দিকে দিব।এটা অসম্ভব যে এক দিকে আমরা কাশ্মিরে লড়াই শুরু করব আর অন্য দিক দিয়ে মুরতাদ সেনাবাহিনী ও সরকার আমাদের পেছন দিয়ে আক্রমন চালাবে।

তাই যারা আমাদের বিরোধিতা করে তাদের উচিত আমাদের অতীত দেখা। উপরের দেয়া উদাহরণে যে কারনগুলো দেয়া আছে তা থেকে বলুক বুদ্ধিমান লোকদের এই ধরনের পরিস্থিতিতে কি করা উচিত।

ইনশাআল্লাহ্‌, সময় খুব কাছে যখন আমরা আমাদের কাশ্মিরের যুদ্ধ আবার শুরু করব এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপর আমাদের কাশ্মিরি ভাই বোনদের প্রতিশোধ নিবো ও কাশ্মিরে ইসলাম কায়েম করব।

ইতি

তেহরিকে তালিবান পাকিস্তান

PDF

567.07KB

https://www.pdf-archive.com/2016/08/23/ilias-kashmiri/

http://up.top4top.net/downloadf-235pqe91-pdf.html

http://www.mediafire.com/download/3yyqrzgwvx63f3w/ilias+kashmiri.pdf

 

WORD

52.71 KB

http://up.top4top.net/downloadf-235niqn2-docx.html

http://www.mediafire.com/download/iwwn336ycb35ae4/ilias+kashmiri.docx

 

exrj4w

https://justpaste.it/xm73

https://jpst.it/MxKF

প্রকাশনা ও পরিবেশনা

প্রকাশকাল
২৩ আগস্ট ২০১৬ ইংরেজি

আপনাদের নেক দুয়ায় আমাদের ভুলবেননা!

 

 

আলহাজ মোল্লা বাজ মুহাম্মাদ হারেস হাফিজাহুল্লাহ ও তাঁর সাথীদের বাইয়াতের এলান।

আলহাজ মোল্লা বাজ মুহাম্মাদ হারেস হাফিজাহুল্লাহ

ও তাঁর সাথীদের বাইয়াতের এলান।

পরম করুনাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি-

সমস্ত প্রশংসা ওই আল্লাহর জন, যিনি মুসলমানদেরকে ঐক্য ও একতার নির্দেশ দিয়েছেন। এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর হাবিব, তাঁর পরিবারবর্গ সকল সাহাবায়ে কেরামের উপর।

হামদ ও সালাতের পর-

গত ১৪৩৭ হিজরির ৫ জুলাকাদা মাসের সোমবারে ইমারাতে ইসলামীর বড় বড় দায়িত্বশীল, উলামায়ে কেরাম, মরহুম আমিরুল মুমিনিন মোল্লা উমর মুহাম্মাদ মুজাহিদ রহিমাহুল্লাহর পরিবারের সদস্যবর্গ ও  আলহাজ মোল্লা বাজ মুহাম্মাদ হারেস রহিমাহুল্লাহর সাথীবর্গ ও তাঁর প্রতিনিধিদের মাঝে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনার পর সবাই একমত হন যে, ইমারাতে ইসলামীর ঐক্য ও শক্তিকে সর্বাত্মকভাবে রক্ষা করা হবে। এবং তাঁরা সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন- প্রত্যেকেই যেন শরীয়তের ছায়ায় থেকে তাঁর সকল অধিকার উপভোগ করতে পারে। এবং সকল নির্দেশনা যেন শরীয়তের মূলনীতির আলোকেই গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়।

বৈঠক শেষে আলহাজ মোল্লা বাজ মুহাম্মাদ হারেস হাফিজাহুল্লাহ ও তাঁর সকল সাথী ও তাঁর সাথে সম্পর্কিত ব্যক্তিবর্গ- যিনি ইতিপূর্বে মোল্লা মুহাম্মাদ রাসুল আখন্দ হাফিজাহুল্লাহর নায়েব হিসেবে কাজ করেছেন।– এবং এমনিভাবে মোল্লা আখতার মুহাম্মাদ আখন্দ হাফিজাহুল্লাহ- তিনি ইমারাতে ইসলামীর শাসনামলে একজন সামরিক কমান্ডার ছিলেন ও রুযজান প্রদেশের জুরি জেলার অধিবাসী।

নিজেরা স্বয়ং ও সাথীদের নায়েব হয়ে ইমারাতে ইসলামীর আমীর আমিরুল মুমিনিন শাইখুল হাদিস মওলবী হেবাতুল্লাহ আখুন্দজাদাহ হাফিজাহুল্লাহর প্রতি বাইয়াতের ঘোষণা দিয়েছেন। এবং পবিত্র শরীয়তের আলোকে পূর্ণ আনুগত্য ও শ্রবনের অঙ্গীকার করেছেন। আলহাজ মওলবী আহমাদ রাব্বানি হাফিজাহুল্লাহর সমাপনি দুয়ার মাধ্যমে বৈঠক সমাপ্ত হয়।

 

PDF

http://up.top4top.net/downloadf-232orh41-pdf.html

http://www.up-00.com/?Jf59

exrj4w

https://justpaste.it/baj_muhammad

https://jpst.it/MpQk

  প্রকাশনা ও পরিবেশনা

প্রকাশকাল
২০ আগস্ট ২০১৬ ইংরেজি

আপনাদের নেক দুয়ায় আমাদের ভুলবেননা ! 

মুহতারাম ভাইয়েরা!

আমরা আমাদের উসামা মিডিয়ার উত্তরাত্তর সফলতা ও উন্নতির জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আপনাদের একান্ত দুয়া ও পরামর্শ কাম্য। সকল ভাইদের প্রতি আহবান আমরা সবাই যেন শেয়ার করে ছড়িয়ে দেই ।
বারাকাল্লাহু ফিকুম।