Posted in ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তান, উসামা মিডিয়া

ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তানের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রবন্ধের বাংলা অনুবাদ “কে আফগানিস্তানে বেসামরিক জনগণকে হত্যা করছে?”

ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তানের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত

একটি প্রবন্ধের বাংলা অনুবাদ

কে আফগানিস্তানে বেসামরিক জনগণকে

হত্যা করছে?

সকল প্রশংসা সেই আল্লাহ্ সুবহান ওয়া তাআলার যিনি আমাদের ঈমানের মত নেয়ামত দিয়ে ধন্য করেছেন এবং আমাদের জন্য, সর্বোত্তম কিতাব, সর্বোচ্চ সম্মানিত রাসূল এবং সর্বোত্তম শরীয়াত বা বিধিবিধান প্রেরণ করেছেন! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি এক এবং তাঁর কোন শরীক নেই। আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।  তাঁর এবং তাঁর পবিত্র পরিবারের উপর শান্তি বর্ষিত হোক, আরো বর্ষিত হোক পবিত্র ও উত্তম বৈশিষ্ট্যের অধিকারী সাহাবা আজমাঈন রাঃ এবং তাবিঈন ও তাবে তাবিঈনদের উপর। আম্মাবাদ

তালিবান আফগানিস্তানের জনগন থেকে হওয়া যারা গত ১৫ বছর জাবত দখলদারদের সাথে লড়াই করে যাচ্ছে। তালিবান আফগানিস্তানের সাধারণ জনগণেরই অংশ যা তাদের থেকে আলাদা করা যায় না। প্রত্যেক প্রদেশ, জেলা, ঘর এবং আফগানিস্তানের প্রত্যেক প্রান্ত থেকে আফগানিস্তানের সাধারণ মুসলমানের মুখ থেকে তালিবানের পক্ষে সমর্থনের প্রতিধ্বনি জেগে উঠে। আফগানিস্তানের সাধারণ জনগণের থেকে সমর্থনের কারন এই যে,  তালিবান ইসলামের হেফাজত, আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্বের হেফাজত এবং মুসলমানদের স্বার্থে কাজ করাকে নিজেদের দায়িত্ব মনে করে।

আফগানিস্তানের প্রায় সবাই, শিক্ষিত ও অশিক্ষিত জানে যে, আফগানিস্তানে কোন স্বাধীন সংস্থা নেই, যারা বেসামরিক হতাহতের উপর নজর রাখছে। যতবার দখলদাররা বিশেষ করে আমেরিকানরা মানবতা বিরোধী কোন অপরাধ করে এবং কোন মানবাধিকার লঙ্ঘন করে, কর্তৃপক্ষ নির্লজ্জ ভাবে তাদের অপরাধ ঢেকে ফেলে এবং মিডিয়াও তা প্রচার করা থেকে বিরত থাকে। সমস্যা হল আমেরিকার দ্বারা করা যুদ্ধাপরাধ শুধু সরকারই ঢেকে ফেলে না বরং মিডিয়াও- যা দখলদার দ্বারা পরিচালিত- সেসব অপরাধগুলোকে তালিবানের উপর চাপিয়ে দিয়ে তার জন্য তালিবানকেই দায়ি করে। মিডিয়া তাদের পক্ষপাতদুষ্ট মনোভাব একাধিকবার প্রমান করেছে তবুও তারা নিজেদেরকে বাকস্বাধীনতার চ্যাম্পিয়ন হিসেবে অবিহিত করে। সরকার আফগানিস্তানের সাধারণ মুসল্মানের সাথে তালিবানের সম্পরক ছিন্ন করে নিদারুনভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকারি ও বেসরকারি মিডিয়া ও সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর দ্বারা। দখলদাররা বহুবার জানাযা, বিবাহ, হাসপাতাল, স্কুল ও সামাজিক সমাবেশে বোমা মেরে পুরো গ্রাম বা পরিবারকে গণহত্যা করেছে।

দখলদার দ্বারাকৃত কিছু যুদ্ধাপরাধ ও গণহত্যা নিম্নে উল্লেখ করা হচ্ছে ঃ 

১- ২০১৪ সালে হেল্মদ প্রদেশের সিঙ্গিন জেলায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আকাশপথে বোমা মেরে আমেরিকান রা ৩৫ জন বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছে ও ৪৫ জনের বেশিকে আহত করেছে।

২- ৩০ এর আগস্ট ২০১৫ তে ওয়ারদাক প্রদেশের সায়দাবাদ জেলায়, কথিত এ এন এ অথবা আফগান জাতিয় সেনা মর্টার ও কামান হামলায় একই পরিবারের ১৩ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে।

৩- ২০১৫ এর সেপ্টেম্বর মাসে লগার প্রদেশের মুহাম্মাদ আঘা জেলায় তালিবান সাফাই অপেরাশনের নামে  সরকারী বাহিনী বহু নারী ও শিশুকে নির্বিচারে হত্যা ও গণহত্যা করেছে।

৪- ২০১৫ এ ডাক্তারস উইতাউত বরদারস এর দ্বারা পরিচালিত একটি হাস্পাতালে আমেরিকানরা বোমা হামলা করে যাতে বহু ডাক্তার ও নিরীহ রোগী মারা যায়।

৫- ২০১৬ এর এ বছরেই বাঘিস প্রাদেশিক কেন্দ্রে ২ জন নিরীহ মানুষকে মেরে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

৬- ১৩ই জুন ২০১৬ এ ফারাহ প্রদেশে একটি জানাযার মিছিলে বোমা মারে যেখানে বহু নাগরিককে হত্যা করা হয়।

৭- এ মাসেই যাবুল প্রদেশে পুলিশ যারা সারাদেশে নাগরিক হত্তার জন্য পরিচিত বেশ কয়েক জন নিরীহ মানুষকে গুলি করে হত্যা করে।

৮- এই বছর কান্দাহার প্রদেশের মাইওান্দ জেলায় একটি নির্বিচার রাত্রি অভিজানে অকারনেই ৬ জন নাগরিক মারা যায় ও অনেকে আহত হয়।

৯- বাঘলানের উত্তর প্রদেশে স্থানীয় পুলিশ আকাধিক নাগরিক্ কে চলতি মাসে হত্যা করেছে।

উপরের  উদাহরনগুলো দখলদারদের নিয়ন্ত্রিত পুতুল মিডিয়াও উল্লেখ করেছে কিন্তু এর বাইরেও আরও অনেক ঘটনা আছে যা কয়েকটি লাইনে বোঝানো সম্ভব না। ইউ ঈন এ এম এ কিছুদিন আগে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে  যাতে তালেবানকে বেসামরিক হতাহতের মূল কারন হিসেবে উল্লেখ করেছে,  যা একটি সুস্পষ্ট মিথ্যা কথা এবং এর ভিত্তি হছে কিছু পক্ষপাতী খবর, যা তাদের নিজস্ব রীতিরও পরিপন্থি।

উত্তর প্রদেশের জনগন প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট দুস্তমের গত কয়েক মাসের সামরিক গণহত্যার নৃশংসতার প্রতিবাদ করেছে। মিডিয়ার দেওয়া নাম তালিবান বিরোধী অভিযানের নামে গবাদি পশুগুলোকেও সে ছাড় দেয় নি।

সরকার ও দখলদারেরা তাদের ব্যর্থতা ও পরাজয়ের নৈরাশ্য নিরীহ জনগণের উপর ঝারছে। প্রতিদিন সরকারী বাহিনী যুদ্ধাপরাধ করে চলছে এবং তাদের নিজেদের মধ্যে কোন সমন্বয় নেই ও নিজেদের বাহিনীগুলকে পর্যবেক্ষণ করতেও ব্যর্থ। মিডিয়া তাদের এইসব অপরাধের বিষয়েও উদাসীন। এন জি ও ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রিত সংস্থার প্রতিবেদন গুলিও পক্ষপাতদুষ্ট। সরকারী বাহিনী জনগন কে হত্যা ও নিপীড়ন শত শত বার করছে যা দেশের কোথাও ঠিক মত নথিভুক্ত করা হয় না।

DOC 460 KB

https://archive.org/details/WhoIsKillingCiviliansBangla

http://up.top4top.net/downloadf-2591rfm1-docx.html

 

PDF 294 KB

https://archive.org/details/WhoIsKillingCiviliansBangla_201609

http://up.top4top.net/downloadf-25934sf2-pdf.html

exrj4w

https://justpaste.it/yen6

https://jpst.it/Nr2W

Posted in ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তান, উসামা মিডিয়া, Uncategorized

বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধ বর্তমান জিহাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।

একটি অনুবাদ প্রবন্ধ

বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধ বর্তমান জিহাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।

জুলাই ২৫, ২০১৬ তে আফগানিস্তানে জাতিসংঘ সহযোগী মিশন (ইউ এন এ এম এ) চলতি বছরের ছয় মাসের বেসামরিক হতাহতর প্রতিবেদন প্রকাশিত করেছে। যথাক্রমে প্রতিবেদনে তারা বেসামরিক হতাহতের বেশিরভাগই ইসলামী ইমারাতের উপর আরোপিত করেছে। দুঃখ জনক বিষয় হল, দখলদার দেশগুলো ও কাবুলের প্রশাসনের বাহিনীর দারা হওয়া  বেসামরিক হতাহতর সংখ্যা বরাবরি বেশ কম দেখানো হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে নগণ্য হয়ে থাকে জানুয়ারি ২০০৯ এর যখন থেকে ইউ এন এ এম এ বেসামরিক হতাহতর হিসাব নেয়া শুরু করে।

বাস্তবে, ইসলামী ইমারাত জনগনের মধ্যে থেকে উঠে এসেছে এবং তাদের সাথেই বসবাস করে। এ কারনেই ইসলামী ইমারাতের নেতৃবৃন্দ বেসামরিক হতাহত বন্ধকে নীতি হিসেবে মনোযোগ দিয়ে আসছে এবং বেসামরিক হতাহত বন্ধের বিষয়ে রাজনৈতিক অফিস ও বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধ বিভাগের মাধ্যমে ইউ এন এ এম এ-এর মানবাধিকার বিভাগের সাথে সহযোগিতার জন্য উৎসাহ প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি, ইসলামী ইমারাত আফগানিস্তানের নেতৃবৃন্দ বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধ করতে গভর্নর ও কমান্ডারদের বিভিন্ন সময় নির্দেশনা দিয়েছে এবং প্রায় সময় মুহাজিদিনদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে সেমিনার করা হয়। একই সাথে, ইমারাত তার সামরিক কমিশনের কাঠামোর সাথে “বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধ বিভাগ” যুক্ত করেছে যাকে পরিপূর্ণ ক্ষমতা দেয়া হয়েছে এবং একটি স্বতন্ত্র আচরনবিধি দেয়া হয়েছে যার বিধি ৯ এ বলা আছে যে ইসলামী ইমারাত কোনক্রমেই বেসামরিক হতাহত মেনে নিবে না। একইভাবে, ইসলামী ইমারাতের নেতৃবৃন্দ বরাবরই সাধারণ মানুষের সাথে ভাল আচরন ও বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধের বিষয়ে জোর দিয়ে আসছে। এছাড়াও, ইসলামী ইমারাতের প্রতিনিধিগণ আফগানিস্তানের উপর হওয়া আন্তর্জাতিক সম্মেলনগুলোতে, যেমন কিয়ত সম্মেলন, জাপান, চান্তিলি সম্মেলন, ফ্রান্স, ওসলো সম্মেলন, নরওয়ে এবং দোহাতে হওয়া অন্যান্য সম্মেলনে যোগদানের সময় বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধকে এই জিহাদের মূল উদ্দেশ্য হিসেবে বর্ণনা করেছে। এই সবকিছুই বোঝায় যে ইসলামী ইমারাতের বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধের বিষয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

যাহোক, এই কথা বলতেই হয় যে আফঘানিস্তানে বেসামরিক হতাহতের কারন হালকা অস্ত্র ব্যবহারের ফলে না বরং দখলদার বাহিনী ও কাবুল প্রশাসনের বাহিনীর দ্বারা ভারি অস্ত্র ব্যাবহার, অন্ধেরমত বোমাবর্ষণ ও ড্রোণ হামলার কারনে হয়ে আসছে। আসলে, এইসব অস্ত্র তাদের কাছেই আছে। বাস্তব উদাহরণ হল বাঘলান প্রদেশের দান্দ ঘুরি ও দান্দ সাহাবুদ্দিন যেখানে স্থানীয় লোকদের বাড়িঘর ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল, নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের শহীদ করা হয়েছিল ও এর ফলে হাজারও মানুষকে ঘরছাড়া করা হয়েছিল।

ইসলামী ইমারাতের মুজাহিদরা না তারা ভীড়ের জায়গাগুলোতে বিস্ফোরণ ঘটায় যা তাদের আচরণ বিধি অনুযায়ী নয় এবং না তারা এমন বোমা পুতে রাখে যা দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। একইভাবে, সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে জিহাদের সময়কার পুতে রাখা বোমার দ্বারা মাঝেমধ্যে যে হতাহত ঘটে তা ইসলামী ইমারাতের সাথে সংযুক্ত করা সমীচীন না।  তার উপর, ওইসব বিস্ফোরণ ও বোমা যা শুধু মাত্র সরকারের কাছেই আছে তা দ্বারা হতাহত হলে তার জন্য ইসলামী ইমারাতকে দায়ি করা ঠিক না। ওই সকল ঘটনার নিজস্ব কু মতলব আছে এবং ইসলামী ইমারাত এর সাথে জরিত না থাকার ঘোষণা দিচ্ছে।

জাতিসংঘ নিজেকে একটি বিশ্ব নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে বিবেচনা করে। তাই এর প্রতিবেদনগুলো বাস্তবতার প্রদর্শক হওয়া দরকার এবং অপবাদের সুযোগ নয়। যদি সরকারের নয় বরং মানুষের আস্থা পেতে চায় তাহলে এই সমৃদ্ধ সংস্থার জন্য এটা অপরিহার্য। অবশ্যই যদি জাতিসংঘের মানবাধিকার বিভাগের বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধের এই সম্মিলিত লক্ষে বিষয়ে কোন কিছুর জানার থাকে তাহলে ইসলামী ইমারাতের রাজনৈতিক দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। ইসলামী ইমারাত তার পক্ষ থেকে বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধের বিষয়ে সব রকম ভালো প্রস্তাবকে স্বাগত জানায়।


PDF
https://www.pdf-archive.com/2016/09/03/prevention/

http://document.li/5Fw8

http://up.top4top.net/downloadf-246eqi02-pdf.html

exrj4w

https://justpaste.it/xzq9

https://jpst.it/MZcJ

Posted in ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তান, উসামা মিডিয়া

ইমারাতে ইসলামীর অগ্রযাত্রায় কাবুল প্রশাসনের উদ্বেগ

MIUwTD.jpg

ইমারাতে ইসলামীর অগ্রযাত্রায় কাবুল প্রশাসনের উদ্বেগ

হেলমান্দ , বাঘলান , কুন্দুজ,  নুরিস্তান ও অন্যান্য প্রদেশে ইসলামী ইমারাতের সাম্প্রতিক বিজয় দখলদার বাহিনী ও কাবুল প্রশাসনকে অনেক উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। যদিও তারা বি-৫২ বোমারু সহ আকাশ ও স্থল বাহিনীর পরিপূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহার করেছে তবুও তারা মুজাহিদিনদের বিজয়ের স্রোতকে বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন কাবুল প্রশাসন মিথ্যার আশ্রয় নিছে। এইভাবে তারা মনে করছে তারা তাদের ব্যর্থতাকে ঢেকে বিশ্বের সাহায্য ও সহানুভূতি নিবে। মাঝেমধ্যে তারা দাবি করে যে বিদেশি যোদ্ধারা হেলমান্দে যুদ্ধ করছে, আবার তারা তা বদলে বলে তালিবান বেসামরিক জনগণকে লক্ষ করে হামলা চালাচ্ছে এবং ব্রিজ ধ্বংস করছে আবার অন্য সময় বলে যে তালিবান স্কুল জ্বালিয়ে দিচ্ছে। তারা মনে করে যে তারা মিথ্যা অপবাদের দ্বারা আফগান মুসলিম জনগনের মনোযোগ তাদের অত্যাচার ও অপরাধের থেকে সরিয়ে নিতে পারবে যা তারা আগেও করেছে। কিন্তু জনগন তাদের নিজ চোখ দিয়ে দেখছে যে কাবুল প্রশাসনের বাহিনীই স্কুলে তাদের ঘাটি বানিয়েছে, হিউমেন রাইটস ওয়াচ তা নিশ্চিত করেছে। তার উপর দুস্তমের কুখ্যাত রক্ষীবাহিনী বেসামরিক মানুষ হত্যা ও ঘর লুটপাট করে যাছে দেশের উত্তরাঞ্চলে। বাঘলান ও কান্দাহার প্রদেশে ও নাঙ্গারহারের হিসারাক জেলার কাবুল প্রশাসনের নিরাপত্তা প্রধানরা এখনো গণমাধ্যমে সেনাবাহিনির জন্য এই ফরমান জারি রেখেছে যে “কোন তালিবানকে জীবিত আনবে না”। তাদেরকে প্রশ্ন করা বা তদন্ত করার বদলে আরও উৎসাহিত ও প্রশংসিত করা হয়। অন্যদিকে ইসলামী ইমারাতের মুজাহিদিনদের এই ফরমান জারি করা আছে যে তারা যেন তাদের কাছে দেওয়া আচরণবিধি অনুযায়ী তাদের কার্যক্রম চালায়, যাতে সাধারণ মানুষের সাথে তাদের ব্যবহার ভালো হয় এবং জনকল্যাণ মূলক জায়গাগুলোকে রক্ষা করা হয়। এই বিষয়টা নিয়ে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বার্তায় ইসলামী ইমারাতের নেতা স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছে। সম্মানিত নেতা (হাফিযাহুল্লাহ) মুজাহিদিনকে এই বার্তা দিয়েছেন- “আপনাদের জিহাদি কার্যক্রম অধিক সাবধানতার সাথে করবেন, যাতে করে জনকল্যাণমূলক জায়গাগুলো যেমন হাসপাতাল, কবরস্থান, স্কুল, সেতু, পানি এবং অন্যান্য জনকল্যাণমূলক স্থাপনাগুলোর ক্ষতি না হয় বরং তা রক্ষা করা।“।

এই সকল নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষে, ইসলামী ইমারাতের আমির শক্তি কেন্দ্রগুলিতে বারবার পর্যবেক্ষণ দল পাঠান। একই সাথে ইসলামী ইমারাত জনকল্যাণমূলক স্থাপনাগুলোর পুনর্নির্মাণ ও উন্নয়নের জন্য এন জি ও কমিশন গঠন করেছে। তার উপর সামরিক কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামোর সাথে একটি আলাদা বিভাগ যোগ করেছে, যার লক্ষ হচ্ছে বেসামরিক হতাহত রোধ করা। এইসবই বাস্তব এবং কোন ভুয়া দাবি নয়। এর কারন হচ্ছে ইসলামী ইমারাতের মুজাহিদিন জনগনের মধ্যেই বাস করে। জনগণের মন মস্তিষ্ক জয় করাই তাদের জিহাদি কৌশলের একটি অংশ। তাদের টিকে থাকা কাবুল প্রশাসনের মত বিদেশী টাকা ও অস্ত্রের উপর নির্ভরশীল নয়

এইসব এখন পুরনো কথা।  যখন কাবুল প্রশাসন তাদের জন বিরোধী কাজক্রমগুলো কে ইসলামী ইমারাতের মুজাহিদিনের উপর চাপিয়ে দিত এবং তা গণমাধ্যমে প্রচার করতো। এখন জনগন জানে যে দখলদার ও তাদের দোসরদের বর্তমান যুদ্ধ শুরু থেকেই মিথ্যা ও সত্যকে বিকৃত করার উপর নির্ভরশীল এবং তা এখনো চলে আসছে। তাই তারা মুজাহিদিনকে মনেপ্রাণে সাহায্য করে যাতে মিথ্যা, দুর্নীতি, অত্যাচার ও বিদেশী দখল বন্ধ হয়।


PDF

https://www.pdf-archive.com/2016/09/03/anxiety/

http://document.li/g0m5

http://up.top4top.net/downloadf-2466vt01-pdf.html

exrj4w

https://justpaste.it/xzph

https://jpst.it/MZ8t

Posted in ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তান, উসামা মিডিয়া

মুসলিম উম্মাহর সম্মানিত দীনি আলেমদের প্রতি ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তানের অনুরোধ

 

vkoob9

মুসলিম উম্মাহর সম্মানিত দীনি আলেমদের প্রতি ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তানের অনুরোধ

আগস্ট ২১, ২০১৬

কাবুলের তথাকথিত শান্তি পরিষদ ঘোষণা দিয়েছে যে তাদের পক্ষ থেকে চেষ্টা চলছে ইসলামী দেশগুলোর দীনি আলেমদের নিয়ে একটি সম্মেলন করা হবে। তারা বলছে এই সম্মেলন আফগানিস্তানে শান্তি ও স্থিতি প্রতিষ্ঠা করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে এবং সশস্ত্র বিরোধীদের লড়াই থেকে বিরত থাকতে প্ররোচিত করবে।

বাস্তবে এই প্রতারণাপূর্ণ প্রচেষ্টা ২০১০-২০১১ সালে থাকা আফগানিস্তানে আমেরিকা ও ন্যাটো বাহিনীর চিফ কমান্ডার জেনারেল প্যাত্রেয়াসের সাজানো পরিকল্পনা। সে বিশ্বাস করতো যে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী থেকে যদি এই প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয় ও সশস্ত্র যোদ্ধাদের যদি এই বুঝানো যায় যে বর্তমান যুদ্ধ আসলে জিহাদ নয় বরং ক্ষমতার লড়াই, তাহলে বর্তমান প্রতিরোধ শেষ হয়ে যাবে। এই লক্ষ্যে সে আমেরিকান ঘাটিগুলোতে রেডিও স্টেশন স্থাপন করে এবং গ্রামবাসীকে বিনা মূল্যে রেডিও বিতরন করে। তারপর সবসময় এই রেডিও স্টেশনগুলো থেকে জিহাদ ও মুজাহিদিনদের অপবাদস্বরূপ প্রোপাগান্ডা ছড়াতে থাকে এবং এ সংক্রান্ত দীনি মাসায়েলও জারি করতে থাকে। যাহোক, আলহামদুলিল্লাহ্‌, তার এই চেষ্টা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়ে যায়।

এখন দখলদার দেশগুলো ও তাদের অভ্যন্তরীণ দোসরেরা যখন বেশ অনেকখানি জায়গার নিয়ন্ত্রণ হাড়িয়ে ফেলেছে এবং রণাঙ্গনেও  মনোবল হারিয়ে ফেলেছে, তারা দীনি আলেমদের নিয়ে তাদের সাম্রাজ্যবাদী কুট উদ্দেশ্যের জন্য ব্যবহার করতে চাচ্ছে,  যেখানে আলেমরা সর্বদা সত্যের জন্য অনবরত আওয়াজ দিয়ে যাচ্ছেন ও এর জন্য তাদের জান কোরবান করে যাচ্ছেন। কিন্তু দখলদারেরা ও তাদের দোসরেরা ভুলে গেছে যে আফগানিস্তান একটি দখলকৃত দেশ। এর মাটি ও বাতাস, সামরিক ও রাজনৈতিক সবকিছুই দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে। তাই ১৫০০ আলেম এই বর্তমান দখলের বিরুদ্ধে জিহাদের পক্ষে ফরমান জারি করেছেন।

মুসলিম উম্মাহর সম্মানিত দীনি আলেমগণ অবশ্যই আফগানিস্তানের বর্তমান অবস্থার ব্যাপারে অবগত। নয়তো তাদের বুঝতে হবে বরতমানে দেশটির অবস্থা এমন যে হানাদার বাহিনী অন্ধের মত আফগান মুসলিম জনগনের উপর বোমা হামলা করে চলছে ও রাতে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে, শত শত নারী, পুরুষ ও শিশু তাদের জীবন দিচ্ছে কিন্তু কেউ তাদের জিজ্ঞেস করতে পারবে না (কেন?)। তারা দেশের জেলখানাগুলো সাধারণ মানুষ দিয়ে ভড়ে রেখেছে, যাতে এই মুহূর্তে প্রায় ৩৫০০০ হাজতি হয়েছে। এর মধ্যে  ১২০০০ জনকে তালেবানের নামে অথবা তাদের সাথে যোগাযোগ আছে বলে অথবা তাদের কোন আত্মীয়তা আছে এই কারনে বন্দি করেছে। এর মধ্যে ৯০ বছরের বৃদ্ধও আছে। তারা তাদের পরিণতির ব্যাপারে অনিশ্চিত অবস্থায় কারাগারে বছরের পর বছর যন্ত্রণায় কাটাতে থাকে। কারন তারা বিচারকদের হাতে তেল দিতে পারছেনা বলে। তার উপর তারা এই প্রয়াসও নিয়েছে যাতে আমাদের মাতৃভূমি থেকে ইসলামী সংস্কৃতি মুছে যায়। অন্যদিকে অনৈতিক ভ্রষ্টাচারের জন্য পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে। প্রশাসনের মন্ত্রি ও গভর্নরেরা বিদেশী জাতীয়তা নিয়ে আছে এবং দখলদারদের সুপারিশে মনোনীত হয়। এটা আফগানিস্তানের আসল (বর্তমান) চিত্র।

আফগানরা তাদের দেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য ও তাদের ইসলামী ঈমান রক্ষার্থে জেগে উঠেছে, এই পথে কুরবানির সাথে। তাই আমরা মুসলিম উম্মাহর আলেমদের সম্মানের সাথে অনুরোধ করছি যে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি জটিল। এইখানে দখলদার বাহিনীর গোয়েন্দারা প্রতিনিয়ত গোয়েন্দা প্রকল্পনা করে চলছে। আমরা আশা করি সম্মানিত আলেমগণ আফগানিস্তানের বাস্তবতা বুঝবে যাতে তারা অনিচ্ছাকৃত  ভাবে আমেরিকা ও তাদের অভ্যন্তরীণ দোসরদের ষড়যন্ত্রের শিকার না হয় অথবা এই পবিত্র সতর্কবাণীর জন্য প্রাপ্য না হয়।

“আর পাপিষ্ঠদের প্রতি ঝুকবেনা, নতুবা তোমাদেরকেও আগুনে ধরবে। আর আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন বন্ধু নাই, না তোমরা কোথাও সাহায্য পাবে।“

এটা বলা দরকার যে ইসলামী ইমারাহ শান্তিপূর্ণ ব্যবস্থার মাধ্যমে এই দখলদারিত্ব শেষ করার ও স্বাধীনতা অর্জনের রাস্তা খোলা রেখেছে কিন্তু দখলদার দেশগুলো (এবং তাদের দোসররাই) দুনিয়ার ও দেশের জনগণকে ছলনাময় পরিকল্পনা উদ্ভাবনের মাধ্যমে তাদের দৃষ্টি সরিয়ে রাখতে চাচ্ছে।

 

পিডিএফ

http://up.top4top.net/downloadf-2412l8e1-pdf.html
https://www.pdf-archive.com/2016/08/29/islami-imarah/
http://document.li/0v9T

 

exrj4w

https://justpaste.it/xuby

https://jpst.it/MOHb

 

প্রকাশনা ও পরিবেশনা

প্রকাশকাল
২৩ আগস্ট ২০১৬ ইংরেজি

আপনাদের নেক দুয়ায় আমাদের ভুলবেননা!

Posted in ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তান, উসামা মিডিয়া

উরুযগান প্রদেশের সামরিক কমাণ্ডার মোল্লা আমিনুল্লাহ উইসুফের সাক্ষাৎকার

0fkpjz

উরুযগান প্রদেশের সামরিক কমাণ্ডার

মোল্লা আমিনুল্লাহ উইসুফের সাক্ষাৎকার

 

সাক্ষাৎকার গ্রহণ

হাবীব মুজাহিদ হাফিজাহুল্লাহ

ভাষান্তর

আব্দুল্লাহ হিন্দুস্তানী হাফিজাহুল্লাহ

 

উরুযগানের ভৌগলিক অবস্থান: উরুযগান প্রদেশ আফগানিস্তানের মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশসমূহের একটি। এর পূর্বে গযনী ও যাবুল প্রদেশের একাংশ অবস্থিত। দক্ষিণে দায়ীকান্ডী প্রদেশ। পশ্চিমে হেলমান্দ। উত্তরে কান্দাহার এবং যাবুলের মূল ভুখণ্ড অবস্থিত। তারীন কোটশহরটি উরুযগানের প্রাণকেন্দ্র। এ প্রদেশের বসতী প্রায় চার লাখ। প্রদেশটি  ১২,৬৪০ বর্গ কিলোমিটারের উপর অবস্থিত। প্রদেশের দক্ষিণে অতীতে হাজারা গোত্রীয়দের বসবাসের স্থানকেও উরুযগানের অন্তর্ভুক্ত মনে করা হত। হামীদ কারজায়ীর শাসনামলে এ অঞ্চলকে দায়ী কান্ডীনামে নতুন একটি প্রদেশ করা হয়। উরুযগান প্রদেশ উরুযগানের কেন্দ্রীয় শরহ ব্যতীত দাহারঊদ, চারচীনো, চাওরাহ, খারখুরদী এবং চুনারাতো এর সমন্বয়ে গঠিত। এ প্রদেশের জিহাদী কমান্ডার মোল্লা আমিনুল্লাহ ইউসুফ থেকে গৃহিত সাক্ষাৎকারের চুম্বকাংশ পাঠকের সামনে পেশ করা হল।

প্রশ্নঃ উরুযগানের সামরিক গুরুত্ব সম্পর্কে কিছু বলুন।

উত্তরঃ উরুযগান প্রদেশ আফগানের গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশের একটি। যদিও প্রাশাসনিকভাবে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু মূলত এটি আফগানিস্তানের মেডেল পয়েন্টে অবস্থিত। বেশ কয়েকটি প্রদেশের সীমানা উরুযগানের সাথে মিলিত হয়েছে। উরুযগান প্রদেশ সৃষ্টিগতভাবে একটি পাহাড়ী ঘাটি। প্রদেশটি চতুর দিক থেকে পাহাড় বেষ্টিত এবং এর মধ্যে ছোট-বড় অসংখ্য নদী-নালা রয়েছে। যেহেতু সৃষ্টিগতভাবেই প্রদেশটি কেল্লা সদৃশ, তাই রাশিয়ার বিরুদ্ধে জিহাদের সময়ও এই প্রদেশের উপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। বর্তমানে আমেরিকার বিরুদ্ধে জিহাদের সময়ও এই প্রদেশ মুজাহিদদের গুরুত্বপূর্ণ ঘাটি হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। অন্যান্য এলাকার তুলনায় এই প্রদেশে শত্রুরা সৈন্য সমাবেশ বেশি করেছে এবং এই প্রদেশ ধরে রাখার জন্য বেশি শক্তি খাটাচ্ছে। কারণ তারা ভাল করেই জানে, এই এলাকা একবার হাত ছাড়া হয়ে গেলে পুনরায় মুজাহিদদের হাত থেকে উদ্ধার করা সম্ভব নয়। তাছাড়া সরকারের কাছে এই এলাকার উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদানের আরেকটি কারণ হল, বর্তমান পুতুল সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছিল এই এলাকা থেকেই। আমেরিকা নিজের খরীদকৃত গোলাম হামীদ কারজাঈকে এ এলাকা থেকেই ক্ষমতায় বসায়। নিজেদের স্পেশাল বাহিনীর মাধ্যমে তারা উরুযগান এবং কান্দাহার দখলের পর হামীদ কারজাঈকে তারা আফগানের ক্ষমতায় বসায়।

প্রশ্নঃ আমেরিকান আগ্রাসনের বিভিন্ন সময়ে উরুযগানের অবস্থা কেমন ছিল?

উত্তরঃ পূর্বেই বলা হয়েছে রাশিয়ার মত আমেরিকাও এ প্রদেশর উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। এ কারণেই এখানে আমেরিকা, হল্যাণ্ড এবং অষ্ট্রলিয়ান বাহিনীর মজবুত ঘাটি ও বেস তৈরি করা হয়েছি। কিন্তু তা সত্ত্বেও তাদের উপর ধারাবাহিক বিরতিতে গেরিলা হামলা চলতে থাকে। যার কারণে তাদেরকে অনেক ক্ষয়-ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। ২০০৯ সালের পর যখন এ অঞ্চলে মুজাহিদদের শক্তি বৃদ্ধি পেল এবং অনেক মুযাফাতী এলাকা মুজাহিদদের দখলে আসল, তখন আগ্রাসী আমেরিকা তাদের শেষ চেষ্টা স্বরূপ এখানে বিশেষ বাহিনী পাঠাল, সেনা সংখ্যা বৃদ্ধি করল, প্রত্যেক গ্রামে গ্রামে ক্যাম্প স্থাপন করল। ফলে যেসব এলাকা মুজাহিদদের হাতে এসেছিল তা পুনরায় হাত ছাড়া হয়ে গেল। সাধারণ মুসলিমদের উপর জুলুমের পরিমাণ বেড়ে গেল। চুরি, ডাকাতী, ছিনাতই, রাহাজানী, ধর্ষণ বহুমাত্রায় বেড়ে গেল। কিন্তু মুজাহিদগণ নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়াতে কোনো কার্পণ্য করেনি। তারা দুশমনকে হটানোর জন্য ধারাবাহিক গেরিলা হামলা পরিচালানা করে যাচ্ছিলেন। মুজাহিদদের হামলার মুখে অতিষ্ট হয়ে এক পর্যায়ে আগ্রাসী বাহিনী বিশেষ করে হল্যাণ্ড এবং অষ্ট্রলীয় বাহিনী উরুযগানা ত্যাগে বাধ্য হয়। নিজেদের ছাউনি, ঘাটি, মোর্চা সব কিছু আফগানী পুলিশ এবং সৈনিকদের কাছে হস্তান্তর করে পলায়ন করে।

প্রশ্নঃ লোক মুখে শুনা যাচ্ছে ইমারাতে ইসলামিয়ার বিগত আযম আপারেশন’-এর ফলে উরুযগানের ডায়রী নামক অঞ্চল দুশমন থেকে মুক্ত করা হয়েছে। এ সম্পর্কে কিছু বলুন।

উত্তরঃ গত বছর আফগানিস্তানের অধিকাংশ এলাকায় বিজয় এবং কামিয়াবীর বছর ছিল। আল্লাহর প্রতক্ষ্য মদদে মুজাহিদগণ অনেক এলাকা থেকে দুশমনের অস্তিত্ব খতম করে দিয়েছেন। উরুযগান প্রদেশের অবস্থা হল এই যে, এখানের জেলা শহরগুলো ব্যতীত উপশহর,থানা শহর এবং গ্রাম্য সমস্ত এলাকা মুজাহিদদের দখলে চলে এসেছে। উরুযগান জেলার দিকেই লক্ষ্য করুন। দেখবেন এখানের শালীনাওয়াহ, সুলতান মুহাম্মাদ নাওয়াহর মত গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো মুজাহিদদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দুশমনের যাবতীয় তৎপরতা জেলা শহরে সীমাবদ্ধ হয়ে আছে। চারচিনো জেলাকে খারখুরদী এবং শহীদ হাস্সাস এই দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে খারখুরদী পরিপূর্ণভাবে মুজাহিদদের হাতে রয়েছে। আর বাকী অংশের শুধু হুশীকোচী বাজার শত্রুর কব্জায় রয়েছে। উক্ত বাজারেও মুজাহিদদের হামলা জারি রয়েছে। যেকোনো সময় তা পতন হবে।  দাহারঊদ জেলা আফগান বাহিনীর কাছে উরুযগানের কেন্দ্রীয় শহরের চেয়েও বেশি গুরুত্ব রাখে। তারা এ  জেলা হেফাজতের জন্য নিজেদের সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে। এ জেলার ওরজান, শোরজী, সাংলাখ, বাযগীর, দাহযাক, সিয়াসাংগ, কোর, শানগুলী এবং গাড়ী এসব এলাকা বিজয় হয়েছে। মুজাহিদগণ তাংগী পর্যন্ত পৌঁছেগেছেন। এখানেও দুশমন মূলত জেলা শহরে বন্দী হয়ে আছে। এ জেলা হেফাজতের জন্য একবার উরুযগানের কেন্দ্রীয় শহর থেকে এক কনভয় এসেছিল। তারা পথিমধ্যে হামলার শিকার হয়ে পরাজিত হয়ে পালিয়ে গেছে। এরপর কান্দাহার থেকে কমান্ডো বাহিনী পাঠানো হয়েছে। তাদের উপর এখনও হামলা চলছে। চওরাহ এবং চুনারাতু জেলারও অধিকাংশ এলাকা মুজাহিদদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মারকাজ তারীন কোট দরবেশাঁ, মুরাদাবাদ এবং পাঈনাওয়াহ এলাকাতেও মুজাহিদগণ অগ্রসরমান।

প্রশ্নঃ গত বছরের আযম আপারেশচলাকালিন গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমূহে জিহাদী অপারেশনের বিবরণ জানতে চাই।

উত্তরঃ আমি উরুযগানে সংঘঠিত এমন বড় কয়েকটি অভিযানের কথা বলব, যে অভিযানের সংবাদ মিডিয়াও প্রকাশ করেছে। ২০১৫ এর ২৬ শে এপ্রিল উরুযগানের পুলিশ প্রধান গোলাব খান মুজাহিদদের এক সফল অপারেশনে নিহত হয়। ২২ শে মার্চ উরুযগান জেলায় মুজাহিদগণ দশটি সেনা চৌকি পদানত করেছেন। এ সময় চল্লিশ জন শত্রুসেনা আত্মসমর্পন করে। ২৩ মার্চ চারচিনোর পুলিশ চিফ এক বোমা বিষ্ফোরণে নিহত হয়। ২৭ শে মে উরুযগান জেলায় ৩৭ জন আরবাকী এবং পুলিশ আত্মসমর্পণ করেছে। মে মাসের শুরু দিকে মুজাহিদগণ চারচিনো জেলার যামবুরী, হুশী এবং রেগকী এসব এলাকার পুলিশ এবং সেনা চৌকিতে বিস্তর হামলা চালিয়ে তাদের থেকে এসব এলাকা মুক্ত করে নেয়। ১৭ জুলাই দাহারঊদের পুলিশ কমাণ্ডার হাজী তালেব এবং তার ডেপুটি জান আগাখানী নিজেদের চার সাথীসহ মুজাহিদদের সফল অভিযানে নিহত হয়। আগস্টের শুরুতে মুজাহিদগণ সুলতান মুহাম্মাদ নাওয়াহ অভিমুখে অগ্রাভিযান শুরু করে। ২৩ শে মার্চ এই বিশাল এলাকা মুজাহিদদের হাতে এসে যায়। দুশমনের ডজন ডজন সৈনিক নিহত হয়েছে। অনেকে আত্মসমর্পণ করেছে। আর বাকীরা পালিয়ে জীবন বাঁচিয়েছে।

২০১৬-এর জানুয়ারী মাসে মুজাহিদগণ দাহারঊদ এবং চারচিনো জেলায় অভিযান শুরু করে। জানুয়ারীর ত্রিশ তারিখে খারখুরদী জেলা মুজাহিদদের পদানত হয় এবং সারআব অঞ্চলও শত্রুর দখলমুক্ত হয়। মার্চের ১১ তারিখ উরুযগান জেলায় ৬০ জন শত্রু সেনা আত্মসমার্পণ করেছে। মার্চের শেষের দিকে চারচিনোতে পুনরায় হামলা শুরু করা হয়। যা এখনও জারি আছে। এখন পর্যন্ত মুজাহিদগণ দশের অধিক পোস্ট পদানত করেছেন এবং শত্রুর প্রতি ঘেরাও আরও মজবুত করছেন।

প্রশ্নঃ মুজাহিদীন যদি উরুযগানের সমস্ত জেলা শহর বিজয় করে ফেলে, তাহলে আমেরিকা ও তার সেবাদাসদের বিরুদ্ধে চলমান জিহাদে এর প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে বলে মনে করেন?

উত্তরঃ আল্লাহ তাআলার রহমত ও সাহায্যে মুজাহিদীন অতিশীঘ্রই জেলা শহরগুলোয়ও বিজয় কেতন উড়াবেন। ইতিমধ্যে এর পরিকল্পনা তৈরি হয়েগেছে। এখন শুধু বাস্তবায়নের পালা। জেলা শহরগুলো বিজয়ের পর প্রাদেশিক শিবিরে দুশমন বেশি দিন টিকতে পারবে না। প্রাদেশিক মারকাজ পদানত হলে এটা দুশমনের জন্য এক চরম পরাজয় ও চপেটাঘাত বলে সাব্যস্ত হবে। এই এলাকা একবার তাদের হাত ছাড়া হলে দ্বিতীয়বার তারা এখানে প্রবেশের সুযোগ পাবে না। কেননা উরুযগানের পার্শ্ববর্তী হেলমান্দ, যাবুল এবং কান্দাহারেও মুজাহিদীনের বিজয়াভিযান দ্রুতগতিতে অগ্রসরমান। তাছাড়া উরুযগান এমন এলাকা নয় যে দুশমন চাইলেই শক্তি খাটিয়ে ছিনিয়ে নিতে পারবে। কেননা এখানের সমস্ত জনগণ মুজাহিদদের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেছে। আর এখন আগ্রাসনের প্রথম যুগ নয় যে, আমেরিকা চাইলেই মিডিয়ায় প্রপাগণ্ডা ছড়িয়ে জনগণকে নিজেদেরমুখী করে ফেলবে।

প্রশ্নঃ উরুযগান প্রদেশে কি এমন কোনো এলাকা আছে যেখানে ইমারাতে ইসলামিয়ার মুজাহিদ ব্যতীত অন্যকোনো বিরোধী গ্রুপের কার্যক্রম চলছে

উত্তরঃ আল-হামদুলিল্লাহ! উরুযগানের সকল মুজাহিদ ইমারাতে ইসলামিয়ার সাথে রয়েছে। সকলে এক আমীর তথা মোল্লা আখতার মুহাম্মাদ মানসূর হাফি:-এর অধীনে এক পতাকাতলে যুদ্ধ করে যাচ্ছে। সকলেই আমীরুল মুমিনীনের হাতে বাইয়াত। আফগানিস্তানের অনান্য প্রদেশের মত উরুযগানেও প্রশ্নে উল্লেখিত কোনো সমস্যা দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না। বরং আমরা যদি পূর্ণ আফগানিস্তানকে সামনে রাখি তাহলে দেখতে পাই যে, আফগানিস্তানের ৩৪ টি প্রদেশের মধ্যে মাত্র দু‘টি প্রদেশে এমন একটি গ্রুপের অস্তিত্ব পাওয়া যায়, যারা নিজেদেরকে ইমারাতে ইসলামিয়া থেকে পৃথক করে নিয়েছে। আর বাকী ৩২টি প্রদেশে ঐ গ্রুপের কোনো অস্তিত্ব নেই। ইমারাতে ইসলামিয়া উক্ত গ্রুপের সমস্যা সমাধানের জন্য বিশেষ ফিকির করছে।

প্রশ্নঃ মুহতারাম! আপনি যদি কোনো পয়গাম দিতে চান, তাহলে আমরা সযত্নে পৌঁছে দিব ইনশাআল্লাহ!

উত্তরঃ আমার পয়গাম মুজাহিদ ভাইদের উদ্দেশ্যে। ভাইগণ! নতুন বছর এসে গেছে। নতুন অপারেশনের সময়ও আসন্ন। তাই প্রত্যেক মুজাহিদের উচিত নিজের নিয়ত যাচাই করে নেয়া। নিয়তে কি শুধু আল্লাহকে রাজী-খুশি করাই আছে নাকি অন্য কিছু আছে? নিজের সংশোধনের ফিকির করা চাই। পুনরায় দেশময় আল্লাহর বিধান কায়েমের জন্য এবং সমস্ত অশ্লীলতা-পাপাচার দূরীভ‚ত করার জন্য জিহাদের দিকে পূর্ণ মনোনিবেশ করা উচিত। শত্রুর প্রপাগাণ্ডা এবং শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে নিজেকে হেফাজত করতে হবে। এসব থেকে নিজেকে হেফাজতের সহজ পন্থা হল, নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব গুরুত্বসহকারে সুচারুরূপে আঞ্জাম দেয়ার প্রতি পূর্ণরূপে মনোনিবেশ করা।

আল্লাহ তাআলার উপর আমাদের পূর্ণ ইয়াকীন রয়েছে যে, তাঁর সাহায্যের দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। দেশের চতুর দিক থেকে বিজয়ের সুখবর আসতেছে। প্রিয় ভ্রাতাগণ! আফগান জিহাদের এই গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে বিজয়ী লশকরের সঙ্গী বনে যান। নিজের যাবতীয় যোগ্যতা শত্রুর উপর উপর্যপরি হামলা এবং আল্লাহর বিধান কায়েম করণার্থে ব্যয় করুন। ইনশাআল্লাহ সেই দিন  বেশি দূরে নয়, যেদিন সম্মিলিত কুফুরী শক্তি পরাজিত হবে; দেশময় আল্লহর বিধান কায়েম হবে এবং কালিমা খচিত সাদা পতাকা সগর্বে পতপত করে উড়তে থাকবে।

PDF

465.26 KB

https://www.pdf-archive.com/2016/08/23/urujgan1/

http://up.top4top.net/downloadf-235qh8d1-pdf.html

http://www.mediafire.com/download/8kojpkm45akgx3g/urujgan1.pdf

WORD

477.17 KB

http://up.top4top.net/downloadf-235h1jd2-docx.html

http://www.mediafire.com/download/4ak7lcoxe3e6em3/urujgan.docx

exrj4w

https://justpaste.it/xm7j

https://jpst.it/MxOB

প্রকাশনা ও পরিবেশনা

প্রকাশকাল
২৩ আগস্ট ২০১৬ ইংরেজি

আপনাদের নেক দুয়ায় আমাদের ভুলবেননা!

Posted in ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তান, Uncategorized

আলহাজ মোল্লা বাজ মুহাম্মাদ হারেস হাফিজাহুল্লাহ ও তাঁর সাথীদের বাইয়াতের এলান।

আলহাজ মোল্লা বাজ মুহাম্মাদ হারেস হাফিজাহুল্লাহ

ও তাঁর সাথীদের বাইয়াতের এলান।

পরম করুনাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি-

সমস্ত প্রশংসা ওই আল্লাহর জন, যিনি মুসলমানদেরকে ঐক্য ও একতার নির্দেশ দিয়েছেন। এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর হাবিব, তাঁর পরিবারবর্গ সকল সাহাবায়ে কেরামের উপর।

হামদ ও সালাতের পর-

গত ১৪৩৭ হিজরির ৫ জুলাকাদা মাসের সোমবারে ইমারাতে ইসলামীর বড় বড় দায়িত্বশীল, উলামায়ে কেরাম, মরহুম আমিরুল মুমিনিন মোল্লা উমর মুহাম্মাদ মুজাহিদ রহিমাহুল্লাহর পরিবারের সদস্যবর্গ ও  আলহাজ মোল্লা বাজ মুহাম্মাদ হারেস রহিমাহুল্লাহর সাথীবর্গ ও তাঁর প্রতিনিধিদের মাঝে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনার পর সবাই একমত হন যে, ইমারাতে ইসলামীর ঐক্য ও শক্তিকে সর্বাত্মকভাবে রক্ষা করা হবে। এবং তাঁরা সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন- প্রত্যেকেই যেন শরীয়তের ছায়ায় থেকে তাঁর সকল অধিকার উপভোগ করতে পারে। এবং সকল নির্দেশনা যেন শরীয়তের মূলনীতির আলোকেই গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়।

বৈঠক শেষে আলহাজ মোল্লা বাজ মুহাম্মাদ হারেস হাফিজাহুল্লাহ ও তাঁর সকল সাথী ও তাঁর সাথে সম্পর্কিত ব্যক্তিবর্গ- যিনি ইতিপূর্বে মোল্লা মুহাম্মাদ রাসুল আখন্দ হাফিজাহুল্লাহর নায়েব হিসেবে কাজ করেছেন।– এবং এমনিভাবে মোল্লা আখতার মুহাম্মাদ আখন্দ হাফিজাহুল্লাহ- তিনি ইমারাতে ইসলামীর শাসনামলে একজন সামরিক কমান্ডার ছিলেন ও রুযজান প্রদেশের জুরি জেলার অধিবাসী।

নিজেরা স্বয়ং ও সাথীদের নায়েব হয়ে ইমারাতে ইসলামীর আমীর আমিরুল মুমিনিন শাইখুল হাদিস মওলবী হেবাতুল্লাহ আখুন্দজাদাহ হাফিজাহুল্লাহর প্রতি বাইয়াতের ঘোষণা দিয়েছেন। এবং পবিত্র শরীয়তের আলোকে পূর্ণ আনুগত্য ও শ্রবনের অঙ্গীকার করেছেন। আলহাজ মওলবী আহমাদ রাব্বানি হাফিজাহুল্লাহর সমাপনি দুয়ার মাধ্যমে বৈঠক সমাপ্ত হয়।

 

PDF

http://up.top4top.net/downloadf-232orh41-pdf.html

http://www.up-00.com/?Jf59

exrj4w

https://justpaste.it/baj_muhammad

https://jpst.it/MpQk

  প্রকাশনা ও পরিবেশনা

প্রকাশকাল
২০ আগস্ট ২০১৬ ইংরেজি

আপনাদের নেক দুয়ায় আমাদের ভুলবেননা ! 

মুহতারাম ভাইয়েরা!

আমরা আমাদের উসামা মিডিয়ার উত্তরাত্তর সফলতা ও উন্নতির জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আপনাদের একান্ত দুয়া ও পরামর্শ কাম্য। সকল ভাইদের প্রতি আহবান আমরা সবাই যেন শেয়ার করে ছড়িয়ে দেই ।
বারাকাল্লাহু ফিকুম।

Posted in ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তান, উসামা মিডিয়া

ইংরেজ দখলদারিত্ব থেকে আজাদি অর্জনের ৯৭তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ইমারাতে ইসলামীর বিবৃতি।

 

ইংরেজ দখলদারিত্ব থেকে আজাদি অর্জনের ৯৭তম বর্ষপূর্তিউপলক্ষে ইমারাতে ইসলামীর বিবৃতি।

আজ ২৮ আসাদ মুতাবেক ১৮ আগস্ট আফগানিস্তানের স্বাধীনতা অর্জনের দিন। এই দিন আফগান জনগন গ্রেট ব্রিটেনের ইংরেজ দখলদারিত্বের নিষ্ঠুরতা থেকে আজাদি অর্জন করেন।

আনুমানিক এক শতাব্দি পূর্বে এই সময় যখন আফগানিস্তান অন্য মাধ্যমে ইংরেজ দখলদারিত্বের অধিনে ছিল, এবং বর্তমান সময়ের মত দেশের রাজনৈতিক ক্ষমতা, আভ্যন্তরীণ ও বাহিরের পলিসি এবং যথেষ্ট ক্ষমতা ব্রিটিশ দখলদারদের পক্ষ থেকে আত্মসাৎ হয়ে গিয়েছিল। ১২৯৮ হিজরি শামসির মোতাবেক ১৯১৯ ইংরেজি সালে আফগান মুজাহিদ জনগন নিজেদের আত্মসাৎকৃত স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের জন্য সশস্ত্র জিহাদ শুরু করেন। এবং ইংরেজ দখলদারদের থেকে চারটি রনাঙ্গন তথা কান্দাহার, পাকতিয়া, নাঙ্গাহার ও কুনাড় নুরিস্তান মুক্ত করতে রুখে দাঁড়ান, যারা সফল জিহাদের মাধ্যমে ইংরেজ দখলদারদের পরাজিত করেন। এবং তাদেরকে আফগানিস্তান মেনে নিতে বাধ্য করেন।

এমনকি ২৮ আসাদ ১২৯৮ হিজরি শামসি মোতাবেক ১৮ আগস্ট ১৯১৯ ইংরেজি সালে আফগানিস্তানকে স্বতন্ত্র দেশ হিসেবে ঘোষণা ও ইংরেজদের আগ্রাসনের সকল গোপন ও প্রকাশ্য অত্যাচার থেকে মুক্তি অর্জন করেন।

প্রভাব প্রতিপত্তি ও স্বাধীনতার জন্য এই মহান দিনের উপলক্ষে ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তান স্বীয় মুজাহিদ ও স্বাধীনতাকামী জনগণকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে মোবারকবাদ পেশ করছে।

যদি একদিকে দেশের অবস্থার প্রতি লক্ষ্য করা হয়, তাহলে তা খুবই আফসোস জনক যে, প্রিয় দেশের স্বাধীনতার দিবসটি এমন অবস্থায় উদযাপন করা হচ্ছে যে, আমাদের দেশ আরও একবার পৃথিবীর আগ্রাসী আত্মসাৎকারীদের কব্জায় রয়েছে। কিন্তু অপরদিকে যদি লক্ষ্য করা হয়, তাহলে তা অত্যান্ত আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া ও প্রশংসার অবস্থানে রয়েছে যে, আত্মমর্যাদাশীল আফগান জাতি পূর্বের সেই জাতিই রয়ে গেছে। তাঁরা সেই স্বাধীনতার স্বপ্নধারী। যারা তাঁদের মজবুত ঈমান ও জাতিগত প্রভাব প্রতিপত্তির চাহিদার উপর ভিত্তি করে খালি হাতে আন্তর্জাতিক আত্মসাৎকারীদের বিরুদ্ধে জিহাদ শুরু করেন। এর ফলাফলে আজ আমেরিকাও পূর্বের আত্মসাৎকারী দখলদারদের ন্যায় পরাজয় ও ব্যর্থতার সম্মুখীন হচ্ছে। হাজার হাজার দখলদার আমেরিকান সৈন্য মারা পরছে। তাদের জীবনের অবস্থা ধংসের কিনারায় রয়েছে। এর সাথে আমেরিকার বৈশ্বিক প্রভাব প্রতিপত্তিও খতম হচ্ছে।

স্বাধীনতা দিবস উদযাপন থেকে ফায়েদা অর্জন করতে করতে ইমারাতে ইসলামী আফগান জাতির মত দেখতে ওই সকল লোকদের বলছে- যারা ইসলামী রাষ্ট্র ও ভূমির উপর দখলদারদের দখলে সাহায্য করেছে এবং এখন পর্যন্ত দখলদারদের কাঁধে কাধ মিলিয়ে সাহায্য করে যাচ্ছে- “ তোমরা আফগানিস্তানে ইসলামের দুশমন আরও সৈন্য ও নবআবিষ্কৃত চিন্তাধারা আমদানি করা থেকে বিরত থাক! দখলদার আত্মসাৎকারীদের সাহায্য করা থেকে হাত গুটিয়ে নাও! কমিউনিজমের পরাজয় ও অধঃপতন থেকে শিক্ষা গ্রহণ কর! নিজের দ্বীন ও জাতির সাথে গাদ্দারি ও ধোঁকাবাজি ছেড়ে দাও! নিজেদের মুজাহিদ জনগণের সাথে মিলে ইসলামী শাসন ব্যবস্থার বাস্তবায়ন ও দেশের স্বাধীনতা অর্জনের কাফেলায় শামিল হয়ে যাও!

                    ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তান                

১৪ যুলকাদাহ ১৪৩৭ হিজরি

১৭ আগস্ট ২০১৬ ইংরেজি


PDF

http://up.top4top.net/downloadf-232zkw81-pdf.html

  http://www.up-00.com/?uP59

exrj4w
https://justpaste.it/afgan_sadhinota

https://jpst.it/MpOn

প্রকাশনা ও পরিবেশনা


প্রকাশকাল
২০ আগস্ট ২০১৬ ইংরেজি
আপনাদের নেক দুয়ায় আমাদের ভুলবেননা!

 মুহতারাম ভাইয়েরা!

আমরা আমাদের উসামা মিডিয়ার উত্তরাত্তর সফলতা ও উন্নতির জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।আপনাদের একান্ত দুয়া ও পরামর্শ কাম্য। সকল ভাইদের প্রতি আহবান আমরা সবাই যেন শেয়ার করে ছড়িয়ে দেই ।
বারাকাল্লাহু ফিকুম।


https://usamamediaweb.wordpress.com/home/


https://www.facebook.com/USAMAMEDIA/?fref=nf


https://twitter.com/usama_media