জামাআত কায়েদাতুল জিহাদ – কেন্দ্রীয় কমান্ড || কুনাড় প্রদেশে শহীদ কমান্ডার ফারুক আল কাহতানি রহঃ ও তাঁর সঙ্গীদের শাহাদাত উপলক্ষে বিশেষ বিবৃতি

Continue reading

Advertisements

বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধ বর্তমান জিহাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।

একটি অনুবাদ প্রবন্ধ

বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধ বর্তমান জিহাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।

জুলাই ২৫, ২০১৬ তে আফগানিস্তানে জাতিসংঘ সহযোগী মিশন (ইউ এন এ এম এ) চলতি বছরের ছয় মাসের বেসামরিক হতাহতর প্রতিবেদন প্রকাশিত করেছে। যথাক্রমে প্রতিবেদনে তারা বেসামরিক হতাহতের বেশিরভাগই ইসলামী ইমারাতের উপর আরোপিত করেছে। দুঃখ জনক বিষয় হল, দখলদার দেশগুলো ও কাবুলের প্রশাসনের বাহিনীর দারা হওয়া  বেসামরিক হতাহতর সংখ্যা বরাবরি বেশ কম দেখানো হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে নগণ্য হয়ে থাকে জানুয়ারি ২০০৯ এর যখন থেকে ইউ এন এ এম এ বেসামরিক হতাহতর হিসাব নেয়া শুরু করে।

বাস্তবে, ইসলামী ইমারাত জনগনের মধ্যে থেকে উঠে এসেছে এবং তাদের সাথেই বসবাস করে। এ কারনেই ইসলামী ইমারাতের নেতৃবৃন্দ বেসামরিক হতাহত বন্ধকে নীতি হিসেবে মনোযোগ দিয়ে আসছে এবং বেসামরিক হতাহত বন্ধের বিষয়ে রাজনৈতিক অফিস ও বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধ বিভাগের মাধ্যমে ইউ এন এ এম এ-এর মানবাধিকার বিভাগের সাথে সহযোগিতার জন্য উৎসাহ প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি, ইসলামী ইমারাত আফগানিস্তানের নেতৃবৃন্দ বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধ করতে গভর্নর ও কমান্ডারদের বিভিন্ন সময় নির্দেশনা দিয়েছে এবং প্রায় সময় মুহাজিদিনদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে সেমিনার করা হয়। একই সাথে, ইমারাত তার সামরিক কমিশনের কাঠামোর সাথে “বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধ বিভাগ” যুক্ত করেছে যাকে পরিপূর্ণ ক্ষমতা দেয়া হয়েছে এবং একটি স্বতন্ত্র আচরনবিধি দেয়া হয়েছে যার বিধি ৯ এ বলা আছে যে ইসলামী ইমারাত কোনক্রমেই বেসামরিক হতাহত মেনে নিবে না। একইভাবে, ইসলামী ইমারাতের নেতৃবৃন্দ বরাবরই সাধারণ মানুষের সাথে ভাল আচরন ও বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধের বিষয়ে জোর দিয়ে আসছে। এছাড়াও, ইসলামী ইমারাতের প্রতিনিধিগণ আফগানিস্তানের উপর হওয়া আন্তর্জাতিক সম্মেলনগুলোতে, যেমন কিয়ত সম্মেলন, জাপান, চান্তিলি সম্মেলন, ফ্রান্স, ওসলো সম্মেলন, নরওয়ে এবং দোহাতে হওয়া অন্যান্য সম্মেলনে যোগদানের সময় বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধকে এই জিহাদের মূল উদ্দেশ্য হিসেবে বর্ণনা করেছে। এই সবকিছুই বোঝায় যে ইসলামী ইমারাতের বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধের বিষয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

যাহোক, এই কথা বলতেই হয় যে আফঘানিস্তানে বেসামরিক হতাহতের কারন হালকা অস্ত্র ব্যবহারের ফলে না বরং দখলদার বাহিনী ও কাবুল প্রশাসনের বাহিনীর দ্বারা ভারি অস্ত্র ব্যাবহার, অন্ধেরমত বোমাবর্ষণ ও ড্রোণ হামলার কারনে হয়ে আসছে। আসলে, এইসব অস্ত্র তাদের কাছেই আছে। বাস্তব উদাহরণ হল বাঘলান প্রদেশের দান্দ ঘুরি ও দান্দ সাহাবুদ্দিন যেখানে স্থানীয় লোকদের বাড়িঘর ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল, নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের শহীদ করা হয়েছিল ও এর ফলে হাজারও মানুষকে ঘরছাড়া করা হয়েছিল।

ইসলামী ইমারাতের মুজাহিদরা না তারা ভীড়ের জায়গাগুলোতে বিস্ফোরণ ঘটায় যা তাদের আচরণ বিধি অনুযায়ী নয় এবং না তারা এমন বোমা পুতে রাখে যা দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। একইভাবে, সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে জিহাদের সময়কার পুতে রাখা বোমার দ্বারা মাঝেমধ্যে যে হতাহত ঘটে তা ইসলামী ইমারাতের সাথে সংযুক্ত করা সমীচীন না।  তার উপর, ওইসব বিস্ফোরণ ও বোমা যা শুধু মাত্র সরকারের কাছেই আছে তা দ্বারা হতাহত হলে তার জন্য ইসলামী ইমারাতকে দায়ি করা ঠিক না। ওই সকল ঘটনার নিজস্ব কু মতলব আছে এবং ইসলামী ইমারাত এর সাথে জরিত না থাকার ঘোষণা দিচ্ছে।

জাতিসংঘ নিজেকে একটি বিশ্ব নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে বিবেচনা করে। তাই এর প্রতিবেদনগুলো বাস্তবতার প্রদর্শক হওয়া দরকার এবং অপবাদের সুযোগ নয়। যদি সরকারের নয় বরং মানুষের আস্থা পেতে চায় তাহলে এই সমৃদ্ধ সংস্থার জন্য এটা অপরিহার্য। অবশ্যই যদি জাতিসংঘের মানবাধিকার বিভাগের বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধের এই সম্মিলিত লক্ষে বিষয়ে কোন কিছুর জানার থাকে তাহলে ইসলামী ইমারাতের রাজনৈতিক দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। ইসলামী ইমারাত তার পক্ষ থেকে বেসামরিক হতাহত প্রতিরোধের বিষয়ে সব রকম ভালো প্রস্তাবকে স্বাগত জানায়।


PDF
https://www.pdf-archive.com/2016/09/03/prevention/

http://document.li/5Fw8

http://up.top4top.net/downloadf-246eqi02-pdf.html

exrj4w

https://justpaste.it/xzq9

https://jpst.it/MZcJ

ইমারাতে ইসলামীর অগ্রযাত্রায় কাবুল প্রশাসনের উদ্বেগ

MIUwTD.jpg

ইমারাতে ইসলামীর অগ্রযাত্রায় কাবুল প্রশাসনের উদ্বেগ

হেলমান্দ , বাঘলান , কুন্দুজ,  নুরিস্তান ও অন্যান্য প্রদেশে ইসলামী ইমারাতের সাম্প্রতিক বিজয় দখলদার বাহিনী ও কাবুল প্রশাসনকে অনেক উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। যদিও তারা বি-৫২ বোমারু সহ আকাশ ও স্থল বাহিনীর পরিপূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহার করেছে তবুও তারা মুজাহিদিনদের বিজয়ের স্রোতকে বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন কাবুল প্রশাসন মিথ্যার আশ্রয় নিছে। এইভাবে তারা মনে করছে তারা তাদের ব্যর্থতাকে ঢেকে বিশ্বের সাহায্য ও সহানুভূতি নিবে। মাঝেমধ্যে তারা দাবি করে যে বিদেশি যোদ্ধারা হেলমান্দে যুদ্ধ করছে, আবার তারা তা বদলে বলে তালিবান বেসামরিক জনগণকে লক্ষ করে হামলা চালাচ্ছে এবং ব্রিজ ধ্বংস করছে আবার অন্য সময় বলে যে তালিবান স্কুল জ্বালিয়ে দিচ্ছে। তারা মনে করে যে তারা মিথ্যা অপবাদের দ্বারা আফগান মুসলিম জনগনের মনোযোগ তাদের অত্যাচার ও অপরাধের থেকে সরিয়ে নিতে পারবে যা তারা আগেও করেছে। কিন্তু জনগন তাদের নিজ চোখ দিয়ে দেখছে যে কাবুল প্রশাসনের বাহিনীই স্কুলে তাদের ঘাটি বানিয়েছে, হিউমেন রাইটস ওয়াচ তা নিশ্চিত করেছে। তার উপর দুস্তমের কুখ্যাত রক্ষীবাহিনী বেসামরিক মানুষ হত্যা ও ঘর লুটপাট করে যাছে দেশের উত্তরাঞ্চলে। বাঘলান ও কান্দাহার প্রদেশে ও নাঙ্গারহারের হিসারাক জেলার কাবুল প্রশাসনের নিরাপত্তা প্রধানরা এখনো গণমাধ্যমে সেনাবাহিনির জন্য এই ফরমান জারি রেখেছে যে “কোন তালিবানকে জীবিত আনবে না”। তাদেরকে প্রশ্ন করা বা তদন্ত করার বদলে আরও উৎসাহিত ও প্রশংসিত করা হয়। অন্যদিকে ইসলামী ইমারাতের মুজাহিদিনদের এই ফরমান জারি করা আছে যে তারা যেন তাদের কাছে দেওয়া আচরণবিধি অনুযায়ী তাদের কার্যক্রম চালায়, যাতে সাধারণ মানুষের সাথে তাদের ব্যবহার ভালো হয় এবং জনকল্যাণ মূলক জায়গাগুলোকে রক্ষা করা হয়। এই বিষয়টা নিয়ে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বার্তায় ইসলামী ইমারাতের নেতা স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছে। সম্মানিত নেতা (হাফিযাহুল্লাহ) মুজাহিদিনকে এই বার্তা দিয়েছেন- “আপনাদের জিহাদি কার্যক্রম অধিক সাবধানতার সাথে করবেন, যাতে করে জনকল্যাণমূলক জায়গাগুলো যেমন হাসপাতাল, কবরস্থান, স্কুল, সেতু, পানি এবং অন্যান্য জনকল্যাণমূলক স্থাপনাগুলোর ক্ষতি না হয় বরং তা রক্ষা করা।“।

এই সকল নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষে, ইসলামী ইমারাতের আমির শক্তি কেন্দ্রগুলিতে বারবার পর্যবেক্ষণ দল পাঠান। একই সাথে ইসলামী ইমারাত জনকল্যাণমূলক স্থাপনাগুলোর পুনর্নির্মাণ ও উন্নয়নের জন্য এন জি ও কমিশন গঠন করেছে। তার উপর সামরিক কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামোর সাথে একটি আলাদা বিভাগ যোগ করেছে, যার লক্ষ হচ্ছে বেসামরিক হতাহত রোধ করা। এইসবই বাস্তব এবং কোন ভুয়া দাবি নয়। এর কারন হচ্ছে ইসলামী ইমারাতের মুজাহিদিন জনগনের মধ্যেই বাস করে। জনগণের মন মস্তিষ্ক জয় করাই তাদের জিহাদি কৌশলের একটি অংশ। তাদের টিকে থাকা কাবুল প্রশাসনের মত বিদেশী টাকা ও অস্ত্রের উপর নির্ভরশীল নয়

এইসব এখন পুরনো কথা।  যখন কাবুল প্রশাসন তাদের জন বিরোধী কাজক্রমগুলো কে ইসলামী ইমারাতের মুজাহিদিনের উপর চাপিয়ে দিত এবং তা গণমাধ্যমে প্রচার করতো। এখন জনগন জানে যে দখলদার ও তাদের দোসরদের বর্তমান যুদ্ধ শুরু থেকেই মিথ্যা ও সত্যকে বিকৃত করার উপর নির্ভরশীল এবং তা এখনো চলে আসছে। তাই তারা মুজাহিদিনকে মনেপ্রাণে সাহায্য করে যাতে মিথ্যা, দুর্নীতি, অত্যাচার ও বিদেশী দখল বন্ধ হয়।


PDF

https://www.pdf-archive.com/2016/09/03/anxiety/

http://document.li/g0m5

http://up.top4top.net/downloadf-2466vt01-pdf.html

exrj4w

https://justpaste.it/xzph

https://jpst.it/MZ8t

মুফতি আবু যর আযযাম হাফিজাহুল্লাহর জামাআতুল বাগদাদি (আইএস) ত্যাগের বিবৃতি।

মুফতি আবু যর আযযাম হাফিজাহুল্লাহর

জামাআতুল বাগদাদি (আইএস) ত্যাগের বিবৃতি।

শায়েখ মুফতি আবু যর আযযাম হাফিজাহুল্লাহ। জামেয়া ফারুকিয়া করাচীতে লেখাপড়া করেছেন। ইফতা শেষ করেছিলেন, কিন্তু পরীক্ষা দেওয়ার পূর্বেই পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে হিজরত করেন ও ২০০৪ সালে মুজাহিদদের সাথে যোগদান করেন তিনি সেখানে জিহাদ ও দাওয়াতের কাজে লিপ্ত থাকেন। এবং উজবেকিস্তানের জিহাদি জামাআত “হারাকাতুল ইসলামিয়্যাহ”র একজন প্রখ্যাত মুফতি হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেন।  জিহাদের মিশন নিয়ে যিনি বিশ্বের নানা ভূমি চষে বেড়িয়েছেন। শায়েখ একই সাথে “মুফতি আবু যর বর্মী” নামেও পরিচিত। উপমহাদেশ ও খোরাসানীয় অঞ্চলে শায়েখের জিহাদি পদচারনা কেমন ছিল, তা আমরা দেখতে পাই যে, শায়েখের বিভিন্ন অডিও, ভিডিও বয়ান কখনো উজবেকিস্তানের মুজাহিদদের জুন্দুল্লাহ স্টুডিও থেকে রিলিজ হয়েছে, কখনো তেহরিকে তালেবান পাকিস্তানের উমার মিডিয়া থেকে রিলিজ হয়েছে, কখনো হিজবে ইসলামী তুরকিস্তানের ভয়েস অফ ইসলাম থেকে রিলিজ হয়েছে ও কখনো বার্মায় অবস্তানরত মুজাহিদদের মিডিয়া থেকে রিলিজ হয়েছে। সেই হিসেবে এটা নিশ্চিত যে, পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ, বার্মা, তুর্কিস্তান ও উজবেকিস্তানের মুজাহিদগণ শায়েখের সোহবত ও মেহমানদারিতে ধন্য হয়েছেন। বিভিন্ন ভূমিতে জিহাদ জারি করার ক্ষেত্রে শায়েখের অবদান রয়েছে।  

(وَإِذْ أَخَذَ اللَّهُ مِيثَاقَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ لَتُبَيِّنُنَّهُ لِلنَّاسِ وَلَا تَكْتُمُونَهُ)

আর আল্লাহ যখন আহলে কিতাবদের কাছ থেকে প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করলেন যে, তা মানুষের নিকট বর্ণনা করবে এবং গোপন করবে না। সুরা আল ইমরান-১৮৭

হে আমার মুহাজির ও মুজাহিদ ভাইয়েরা!

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ …

আমি আবু যর বলছি- আজ ১৪৩৭ হিজরির যুলকাদাহর ১৬ তারিখ। আল্লাহ তায়ালার কাছে আমি দুয়া করছি, তিনি যেন আমাকে হকের উপর অবিচল রাখেন। এবং আমি আপনাদের কিছু উপদেশ দিতে চাই।

এটা সবাই জানে যে শামে জিহাদ শুরু হওয়ার পর উম্মাহ অনেক ফিতনা ও সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। তার মধ্যে সবচে’ বড় সমস্যাটা হল খিলাফতের ঘোষণা। দাওলা যখন খিলাফতের ঘোষণা দিলো, এই ঘোষণার পর অনেক মানুষ প্রভাবান্বিত হয়ে গিয়েছিলো। তাঁদের মধ্যে আমিও অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। আমি দুই বছর পূর্বে তাদেরকে সমর্থন দিয়েছিলাম। যেহেতু আমি তাদের বাস্তবতা সম্পর্কে জ্ঞাত ছিলামনা। এখন আমি তাদের বাস্তবতা সম্পর্কে ও শামের ময়দানে তাদের বিদআত সম্পর্কে আমি অবগত। এই দীর্ঘ সময়ে আমি তাদের আরও অনেক মন্দ কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত হয়েছি। যেমন কোন প্রকার দলীল ব্যতিত মুসলমানদের হত্যা করা। তাদের জামাআতের অন্তর্ভুক্ত নয় এমন জিহাদি জামাআতগুলোর বিরুদ্ধে তাদের ফাতাওয়া প্রকাশ করা। খোরাসানেও তালেবান মুজাহিদদের বিরুদ্ধে তাদের ফাতাওয়া প্রকাশ, অথচ তাঁরা গত ৪০ বছর ধরে রুশ, আমেরিকা ও তাদের চেলাচামুণ্ডাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে আসছেন। তাদের এই সকল কর্মকাণ্ড আমাকে অত্যান্ত ব্যথিত করেছে।

আমি নিজেকে জিজ্ঞেস করলাম, তাদের কাছে কুরআনের কোন মান্যতা রয়েছে?

তাঁরা কোন শরীয়তকে অনুসরণ করে?

এই বিষয়গুলো বুঝার পর এবং মিডিয়া থেকে আমার দূরে থাকার কারণে আমি নিজের উপর অত্যান্ত রাগান্বিত হলাম, যেহেতু আমি তাদের সমর্থন দিয়েছিলাম ও আমি হককে উম্মাহর কাছে কাছে পৌছাতে পারতাম।  

আমার প্রথম ভুল হল আমি তাদের সমর্থন দিয়েছিলাম। আর দ্বিতীয় ভুল হল আমি উম্মাহকে হক বুঝার পরও পৌছাতে বিলম্ব করেছি। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা পরম দয়ালু ও ক্ষমাশীল। আল্লাহ তায়ালা আমার সকল অপরাধ ক্ষমা করে দিবেন ইনশা আল্লাহ। আল্লাহ তায়ালার কাছে আমি দুয়া করি যেন, আল্লাহ তায়ালা আমাকে ও আপনাদেরকে ক্ষমা করে দেন।    .

মধ্য এশিয়ায় অবস্থানরত আমার মুজাহিদ ভাইদের প্রতি আমার বিশেষ আহবান-

হে আমার ভাইয়েরা!

আপনারা ঘর থেকে বের হয়েছেন, যাতে জুলুমকে পৃথিবী থেকে দূর করতে পারেন, আপনারা হিজরত করেছেন জিহাদের জন্য। এবং অনেক বিপদাপদ ও দুঃখকষ্টের সম্মুখীন হয়েছেন। আর এখন আপনারা এই সকল মতবিরোধের মাঝে প্রবেশ করবেন না! আলহামদু লিল্লাহ এখানে অনেক হক ও সহিহ মানহাজের উপর প্রতিষ্ঠিত জামাআত বিদ্যমান রয়েছে। সুতরাং তাঁদেরকে বাইয়াহ দিন! তাঁদের দলে প্রবেশ করুন! ও তাঁদের সাথে মিলে জিহাদ করুন! আপনাদের জন্য আবশ্যক হল আপনারা বার্মা, পশ্চিম তুর্কিস্তান ও পূর্ব তুর্কিস্তানের ওই সকল মজলুমদের ভুলে যাবেন না, যাদেরকে তাঁদের ঘরবাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। আমি সকল মুজাহিদদের উপদেশ দিচ্ছি যে আপনারা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমার কথাগুলো গ্রহণ করে নিন।

আল্লাহ তায়ালা আপনাদের পুরস্কৃত করবেন।

আপনারা আমার পূর্ববর্তী কথাকে দলীল বানাবেন না!

আপনারা আমাকে আপনাদের দাওলাতে বাইয়াহ দেওয়ার দলীল বানাবেন না!

আপনারা আমাকে “এই খিলাফাহ সঠিক খিলাফাহ” এই কথার দলীল বানাবেন না! 

 

আমি আমার পূর্ববর্তী চিন্তাধারা থেকে প্রত্যাবর্তন করছি।

এটা সম্ভব যে আমি আমার কথার পুনরাবৃত্তি করবো এবং বারবার বলবো, কিন্তু আমি এখন আপনাদের থেকে দীর্ঘ সময় নিবোনা। ইনশা আল্লাহ অচিরেই আমি এই ব্যাপারে আমার একটি বিস্তারিত বিবৃতি পেশ করার চেষ্টা করবো। .

আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে তাদের এই বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত হয়ে আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি ও ক্ষমার প্রত্যাশা করে আল্লাহ তায়ালার উপর তাওয়াককুল করে আপনাদের সামনে আমাদের বর্তমান অবস্থান তুলে ধরাকে আমাদের সবচে’ গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য ও দায়িত্ব বলে মনে করছি। 

তাই আমি মধ্য এশিয়ার (পূর্ব ও পশ্চিম তুর্কিস্তান) আমার মুজাহিদ ভাইদের প্রতি এই কথাগুলো সুস্পষ্টভাবে পেশ করছি। আপনারা আমার মাগফিরাতের দুয়া করুন। আপনাদের দুয়ায় আমাকে ভুলবেন না! আমি দুয়া করি, আল্লাহ তায়ালা যেন আপনাদেরকে অটল ও অবিচল রাখেন! আমিন

pdf

http://up.top4top.net/downloadf-241vy2c2-pdf.html
https://www.pdf-archive.com/2016/08/29/mufti-abu-jor-ajjam-ha/
http://document.li/c7T1

 

exrj4w

https://justpaste.it/xubn

https://jpst.it/MOEP

 

প্রকাশনা ও পরিবেশনা

প্রকাশকাল
৩০ আগস্ট ২০১৬ ইংরেজি

আপনাদের নেক দুয়ায় আমাদের ভুলবেননা!

মুসলিম উম্মাহর সম্মানিত দীনি আলেমদের প্রতি ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তানের অনুরোধ

 

vkoob9

মুসলিম উম্মাহর সম্মানিত দীনি আলেমদের প্রতি ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তানের অনুরোধ

আগস্ট ২১, ২০১৬

কাবুলের তথাকথিত শান্তি পরিষদ ঘোষণা দিয়েছে যে তাদের পক্ষ থেকে চেষ্টা চলছে ইসলামী দেশগুলোর দীনি আলেমদের নিয়ে একটি সম্মেলন করা হবে। তারা বলছে এই সম্মেলন আফগানিস্তানে শান্তি ও স্থিতি প্রতিষ্ঠা করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে এবং সশস্ত্র বিরোধীদের লড়াই থেকে বিরত থাকতে প্ররোচিত করবে।

বাস্তবে এই প্রতারণাপূর্ণ প্রচেষ্টা ২০১০-২০১১ সালে থাকা আফগানিস্তানে আমেরিকা ও ন্যাটো বাহিনীর চিফ কমান্ডার জেনারেল প্যাত্রেয়াসের সাজানো পরিকল্পনা। সে বিশ্বাস করতো যে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী থেকে যদি এই প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয় ও সশস্ত্র যোদ্ধাদের যদি এই বুঝানো যায় যে বর্তমান যুদ্ধ আসলে জিহাদ নয় বরং ক্ষমতার লড়াই, তাহলে বর্তমান প্রতিরোধ শেষ হয়ে যাবে। এই লক্ষ্যে সে আমেরিকান ঘাটিগুলোতে রেডিও স্টেশন স্থাপন করে এবং গ্রামবাসীকে বিনা মূল্যে রেডিও বিতরন করে। তারপর সবসময় এই রেডিও স্টেশনগুলো থেকে জিহাদ ও মুজাহিদিনদের অপবাদস্বরূপ প্রোপাগান্ডা ছড়াতে থাকে এবং এ সংক্রান্ত দীনি মাসায়েলও জারি করতে থাকে। যাহোক, আলহামদুলিল্লাহ্‌, তার এই চেষ্টা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়ে যায়।

এখন দখলদার দেশগুলো ও তাদের অভ্যন্তরীণ দোসরেরা যখন বেশ অনেকখানি জায়গার নিয়ন্ত্রণ হাড়িয়ে ফেলেছে এবং রণাঙ্গনেও  মনোবল হারিয়ে ফেলেছে, তারা দীনি আলেমদের নিয়ে তাদের সাম্রাজ্যবাদী কুট উদ্দেশ্যের জন্য ব্যবহার করতে চাচ্ছে,  যেখানে আলেমরা সর্বদা সত্যের জন্য অনবরত আওয়াজ দিয়ে যাচ্ছেন ও এর জন্য তাদের জান কোরবান করে যাচ্ছেন। কিন্তু দখলদারেরা ও তাদের দোসরেরা ভুলে গেছে যে আফগানিস্তান একটি দখলকৃত দেশ। এর মাটি ও বাতাস, সামরিক ও রাজনৈতিক সবকিছুই দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে। তাই ১৫০০ আলেম এই বর্তমান দখলের বিরুদ্ধে জিহাদের পক্ষে ফরমান জারি করেছেন।

মুসলিম উম্মাহর সম্মানিত দীনি আলেমগণ অবশ্যই আফগানিস্তানের বর্তমান অবস্থার ব্যাপারে অবগত। নয়তো তাদের বুঝতে হবে বরতমানে দেশটির অবস্থা এমন যে হানাদার বাহিনী অন্ধের মত আফগান মুসলিম জনগনের উপর বোমা হামলা করে চলছে ও রাতে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে, শত শত নারী, পুরুষ ও শিশু তাদের জীবন দিচ্ছে কিন্তু কেউ তাদের জিজ্ঞেস করতে পারবে না (কেন?)। তারা দেশের জেলখানাগুলো সাধারণ মানুষ দিয়ে ভড়ে রেখেছে, যাতে এই মুহূর্তে প্রায় ৩৫০০০ হাজতি হয়েছে। এর মধ্যে  ১২০০০ জনকে তালেবানের নামে অথবা তাদের সাথে যোগাযোগ আছে বলে অথবা তাদের কোন আত্মীয়তা আছে এই কারনে বন্দি করেছে। এর মধ্যে ৯০ বছরের বৃদ্ধও আছে। তারা তাদের পরিণতির ব্যাপারে অনিশ্চিত অবস্থায় কারাগারে বছরের পর বছর যন্ত্রণায় কাটাতে থাকে। কারন তারা বিচারকদের হাতে তেল দিতে পারছেনা বলে। তার উপর তারা এই প্রয়াসও নিয়েছে যাতে আমাদের মাতৃভূমি থেকে ইসলামী সংস্কৃতি মুছে যায়। অন্যদিকে অনৈতিক ভ্রষ্টাচারের জন্য পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে। প্রশাসনের মন্ত্রি ও গভর্নরেরা বিদেশী জাতীয়তা নিয়ে আছে এবং দখলদারদের সুপারিশে মনোনীত হয়। এটা আফগানিস্তানের আসল (বর্তমান) চিত্র।

আফগানরা তাদের দেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য ও তাদের ইসলামী ঈমান রক্ষার্থে জেগে উঠেছে, এই পথে কুরবানির সাথে। তাই আমরা মুসলিম উম্মাহর আলেমদের সম্মানের সাথে অনুরোধ করছি যে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি জটিল। এইখানে দখলদার বাহিনীর গোয়েন্দারা প্রতিনিয়ত গোয়েন্দা প্রকল্পনা করে চলছে। আমরা আশা করি সম্মানিত আলেমগণ আফগানিস্তানের বাস্তবতা বুঝবে যাতে তারা অনিচ্ছাকৃত  ভাবে আমেরিকা ও তাদের অভ্যন্তরীণ দোসরদের ষড়যন্ত্রের শিকার না হয় অথবা এই পবিত্র সতর্কবাণীর জন্য প্রাপ্য না হয়।

“আর পাপিষ্ঠদের প্রতি ঝুকবেনা, নতুবা তোমাদেরকেও আগুনে ধরবে। আর আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন বন্ধু নাই, না তোমরা কোথাও সাহায্য পাবে।“

এটা বলা দরকার যে ইসলামী ইমারাহ শান্তিপূর্ণ ব্যবস্থার মাধ্যমে এই দখলদারিত্ব শেষ করার ও স্বাধীনতা অর্জনের রাস্তা খোলা রেখেছে কিন্তু দখলদার দেশগুলো (এবং তাদের দোসররাই) দুনিয়ার ও দেশের জনগণকে ছলনাময় পরিকল্পনা উদ্ভাবনের মাধ্যমে তাদের দৃষ্টি সরিয়ে রাখতে চাচ্ছে।

 

পিডিএফ

http://up.top4top.net/downloadf-2412l8e1-pdf.html
https://www.pdf-archive.com/2016/08/29/islami-imarah/
http://document.li/0v9T

 

exrj4w

https://justpaste.it/xuby

https://jpst.it/MOHb

 

প্রকাশনা ও পরিবেশনা

প্রকাশকাল
২৩ আগস্ট ২০১৬ ইংরেজি

আপনাদের নেক দুয়ায় আমাদের ভুলবেননা!

আলহাজ মোল্লা বাজ মুহাম্মাদ হারেস হাফিজাহুল্লাহ ও তাঁর সাথীদের বাইয়াতের এলান।

আলহাজ মোল্লা বাজ মুহাম্মাদ হারেস হাফিজাহুল্লাহ

ও তাঁর সাথীদের বাইয়াতের এলান।

পরম করুনাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি-

সমস্ত প্রশংসা ওই আল্লাহর জন, যিনি মুসলমানদেরকে ঐক্য ও একতার নির্দেশ দিয়েছেন। এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর হাবিব, তাঁর পরিবারবর্গ সকল সাহাবায়ে কেরামের উপর।

হামদ ও সালাতের পর-

গত ১৪৩৭ হিজরির ৫ জুলাকাদা মাসের সোমবারে ইমারাতে ইসলামীর বড় বড় দায়িত্বশীল, উলামায়ে কেরাম, মরহুম আমিরুল মুমিনিন মোল্লা উমর মুহাম্মাদ মুজাহিদ রহিমাহুল্লাহর পরিবারের সদস্যবর্গ ও  আলহাজ মোল্লা বাজ মুহাম্মাদ হারেস রহিমাহুল্লাহর সাথীবর্গ ও তাঁর প্রতিনিধিদের মাঝে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনার পর সবাই একমত হন যে, ইমারাতে ইসলামীর ঐক্য ও শক্তিকে সর্বাত্মকভাবে রক্ষা করা হবে। এবং তাঁরা সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন- প্রত্যেকেই যেন শরীয়তের ছায়ায় থেকে তাঁর সকল অধিকার উপভোগ করতে পারে। এবং সকল নির্দেশনা যেন শরীয়তের মূলনীতির আলোকেই গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়।

বৈঠক শেষে আলহাজ মোল্লা বাজ মুহাম্মাদ হারেস হাফিজাহুল্লাহ ও তাঁর সকল সাথী ও তাঁর সাথে সম্পর্কিত ব্যক্তিবর্গ- যিনি ইতিপূর্বে মোল্লা মুহাম্মাদ রাসুল আখন্দ হাফিজাহুল্লাহর নায়েব হিসেবে কাজ করেছেন।– এবং এমনিভাবে মোল্লা আখতার মুহাম্মাদ আখন্দ হাফিজাহুল্লাহ- তিনি ইমারাতে ইসলামীর শাসনামলে একজন সামরিক কমান্ডার ছিলেন ও রুযজান প্রদেশের জুরি জেলার অধিবাসী।

নিজেরা স্বয়ং ও সাথীদের নায়েব হয়ে ইমারাতে ইসলামীর আমীর আমিরুল মুমিনিন শাইখুল হাদিস মওলবী হেবাতুল্লাহ আখুন্দজাদাহ হাফিজাহুল্লাহর প্রতি বাইয়াতের ঘোষণা দিয়েছেন। এবং পবিত্র শরীয়তের আলোকে পূর্ণ আনুগত্য ও শ্রবনের অঙ্গীকার করেছেন। আলহাজ মওলবী আহমাদ রাব্বানি হাফিজাহুল্লাহর সমাপনি দুয়ার মাধ্যমে বৈঠক সমাপ্ত হয়।

 

PDF

http://up.top4top.net/downloadf-232orh41-pdf.html

http://www.up-00.com/?Jf59

exrj4w

https://justpaste.it/baj_muhammad

https://jpst.it/MpQk

  প্রকাশনা ও পরিবেশনা

প্রকাশকাল
২০ আগস্ট ২০১৬ ইংরেজি

আপনাদের নেক দুয়ায় আমাদের ভুলবেননা ! 

মুহতারাম ভাইয়েরা!

আমরা আমাদের উসামা মিডিয়ার উত্তরাত্তর সফলতা ও উন্নতির জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আপনাদের একান্ত দুয়া ও পরামর্শ কাম্য। সকল ভাইদের প্রতি আহবান আমরা সবাই যেন শেয়ার করে ছড়িয়ে দেই ।
বারাকাল্লাহু ফিকুম।

ইংরেজ দখলদারিত্ব থেকে আজাদি অর্জনের ৯৭তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ইমারাতে ইসলামীর বিবৃতি।

 

ইংরেজ দখলদারিত্ব থেকে আজাদি অর্জনের ৯৭তম বর্ষপূর্তিউপলক্ষে ইমারাতে ইসলামীর বিবৃতি।

আজ ২৮ আসাদ মুতাবেক ১৮ আগস্ট আফগানিস্তানের স্বাধীনতা অর্জনের দিন। এই দিন আফগান জনগন গ্রেট ব্রিটেনের ইংরেজ দখলদারিত্বের নিষ্ঠুরতা থেকে আজাদি অর্জন করেন।

আনুমানিক এক শতাব্দি পূর্বে এই সময় যখন আফগানিস্তান অন্য মাধ্যমে ইংরেজ দখলদারিত্বের অধিনে ছিল, এবং বর্তমান সময়ের মত দেশের রাজনৈতিক ক্ষমতা, আভ্যন্তরীণ ও বাহিরের পলিসি এবং যথেষ্ট ক্ষমতা ব্রিটিশ দখলদারদের পক্ষ থেকে আত্মসাৎ হয়ে গিয়েছিল। ১২৯৮ হিজরি শামসির মোতাবেক ১৯১৯ ইংরেজি সালে আফগান মুজাহিদ জনগন নিজেদের আত্মসাৎকৃত স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের জন্য সশস্ত্র জিহাদ শুরু করেন। এবং ইংরেজ দখলদারদের থেকে চারটি রনাঙ্গন তথা কান্দাহার, পাকতিয়া, নাঙ্গাহার ও কুনাড় নুরিস্তান মুক্ত করতে রুখে দাঁড়ান, যারা সফল জিহাদের মাধ্যমে ইংরেজ দখলদারদের পরাজিত করেন। এবং তাদেরকে আফগানিস্তান মেনে নিতে বাধ্য করেন।

এমনকি ২৮ আসাদ ১২৯৮ হিজরি শামসি মোতাবেক ১৮ আগস্ট ১৯১৯ ইংরেজি সালে আফগানিস্তানকে স্বতন্ত্র দেশ হিসেবে ঘোষণা ও ইংরেজদের আগ্রাসনের সকল গোপন ও প্রকাশ্য অত্যাচার থেকে মুক্তি অর্জন করেন।

প্রভাব প্রতিপত্তি ও স্বাধীনতার জন্য এই মহান দিনের উপলক্ষে ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তান স্বীয় মুজাহিদ ও স্বাধীনতাকামী জনগণকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে মোবারকবাদ পেশ করছে।

যদি একদিকে দেশের অবস্থার প্রতি লক্ষ্য করা হয়, তাহলে তা খুবই আফসোস জনক যে, প্রিয় দেশের স্বাধীনতার দিবসটি এমন অবস্থায় উদযাপন করা হচ্ছে যে, আমাদের দেশ আরও একবার পৃথিবীর আগ্রাসী আত্মসাৎকারীদের কব্জায় রয়েছে। কিন্তু অপরদিকে যদি লক্ষ্য করা হয়, তাহলে তা অত্যান্ত আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া ও প্রশংসার অবস্থানে রয়েছে যে, আত্মমর্যাদাশীল আফগান জাতি পূর্বের সেই জাতিই রয়ে গেছে। তাঁরা সেই স্বাধীনতার স্বপ্নধারী। যারা তাঁদের মজবুত ঈমান ও জাতিগত প্রভাব প্রতিপত্তির চাহিদার উপর ভিত্তি করে খালি হাতে আন্তর্জাতিক আত্মসাৎকারীদের বিরুদ্ধে জিহাদ শুরু করেন। এর ফলাফলে আজ আমেরিকাও পূর্বের আত্মসাৎকারী দখলদারদের ন্যায় পরাজয় ও ব্যর্থতার সম্মুখীন হচ্ছে। হাজার হাজার দখলদার আমেরিকান সৈন্য মারা পরছে। তাদের জীবনের অবস্থা ধংসের কিনারায় রয়েছে। এর সাথে আমেরিকার বৈশ্বিক প্রভাব প্রতিপত্তিও খতম হচ্ছে।

স্বাধীনতা দিবস উদযাপন থেকে ফায়েদা অর্জন করতে করতে ইমারাতে ইসলামী আফগান জাতির মত দেখতে ওই সকল লোকদের বলছে- যারা ইসলামী রাষ্ট্র ও ভূমির উপর দখলদারদের দখলে সাহায্য করেছে এবং এখন পর্যন্ত দখলদারদের কাঁধে কাধ মিলিয়ে সাহায্য করে যাচ্ছে- “ তোমরা আফগানিস্তানে ইসলামের দুশমন আরও সৈন্য ও নবআবিষ্কৃত চিন্তাধারা আমদানি করা থেকে বিরত থাক! দখলদার আত্মসাৎকারীদের সাহায্য করা থেকে হাত গুটিয়ে নাও! কমিউনিজমের পরাজয় ও অধঃপতন থেকে শিক্ষা গ্রহণ কর! নিজের দ্বীন ও জাতির সাথে গাদ্দারি ও ধোঁকাবাজি ছেড়ে দাও! নিজেদের মুজাহিদ জনগণের সাথে মিলে ইসলামী শাসন ব্যবস্থার বাস্তবায়ন ও দেশের স্বাধীনতা অর্জনের কাফেলায় শামিল হয়ে যাও!

                    ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তান                

১৪ যুলকাদাহ ১৪৩৭ হিজরি

১৭ আগস্ট ২০১৬ ইংরেজি


PDF

http://up.top4top.net/downloadf-232zkw81-pdf.html

  http://www.up-00.com/?uP59

exrj4w
https://justpaste.it/afgan_sadhinota

https://jpst.it/MpOn

প্রকাশনা ও পরিবেশনা


প্রকাশকাল
২০ আগস্ট ২০১৬ ইংরেজি
আপনাদের নেক দুয়ায় আমাদের ভুলবেননা!

 মুহতারাম ভাইয়েরা!

আমরা আমাদের উসামা মিডিয়ার উত্তরাত্তর সফলতা ও উন্নতির জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।আপনাদের একান্ত দুয়া ও পরামর্শ কাম্য। সকল ভাইদের প্রতি আহবান আমরা সবাই যেন শেয়ার করে ছড়িয়ে দেই ।
বারাকাল্লাহু ফিকুম।


https://usamamediaweb.wordpress.com/home/


https://www.facebook.com/USAMAMEDIA/?fref=nf


https://twitter.com/usama_media